দৌলতপুরে ২২ মামলার আসামি হাবু মণ্ডল গ্রেপ্তার

চেতনায় কুষ্টিয়া প্রতিবেদক ॥ ৪৫ বছরের জীবনে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ২২টি। এর মধ্যে তিনটিতে পেয়েছেন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। সব কটি মামলার পরোয়ানা নিয়ে তিনি ভারতে পালিয়েছিলেন। সেখানে বিয়েও করেন। সম্প্রতি দেশে ফেরেন গোপনে। এরপর ধরা পড়েন পুলিশের হাতে। হাবু মণ্ডল নামের ওই ব্যক্তি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের পাকুড়িয়া ভাঙাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। শনিবার রাতে সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে দৌলতপুর থানা–পুলিশ।
পুলিশ জানায়, জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সাতটি থানায় একযোগে ৮ অক্টোবর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত ১০ দিনব্যাপী পরোয়ানাভুক্ত, এজাহারনামীয়সহ অন্যান্য আসামি গ্রেপ্তার এবং মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। অভিযানের প্রথম দিনেই হাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জেলা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হাবু মণ্ডল বাংলাদেশের অন্যতম পেশাদার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। মাদকের তিনটি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় তাঁর। অন্য একটি মাদক মামলায় ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড হয়েছে তাঁর। সব মিলিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ২২টি মামলা আছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, হাবু মণ্ডল খুবই দুর্র্ধষ প্রকৃতির ব্যক্তি। এলাকায় তাঁর অনেক লোক। সীমান্ত এলাকায় মাদকের ব্যবসা করেন তিনি। চোরাপথে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে মাঝেমধ্যে ভারতে পালিয়ে থাকেন। সেখানে সংসারও আছে তাঁর। তাঁকে গ্রেপ্তার করায় এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে। ওসি আরও জানান, হাবু মণ্ডলকে আজ বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Post a Comment

Previous Post Next Post