৭ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা

মোশারফ হোসেন ॥ কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার নন্দুলালপুর ইউনিয়নের এলঙ্গী পাড়ায় ৭ম শ্রেণীর স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ কুমারখালী থানায় ১টি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা নং- ১০ তারিখ ১০/৮/২০২১ ইং। এলঙ্গী পাড়ার লতিফ শেখের ছেলে ধর্ষক মেহেদী হাসান (৩০) এখনও গ্রেফতার হয়নি।
ছাত্রীর বাবা জানান,  আমার মেয়ে মেহেদী হাসানের স্ত্রীর নিকট  পড়তে  যেত। মেহেদীর বাড়িতে কেউ না থাকায় আমার মেয়েকে বিভিন্ন সময় ধর্ষন করে।  গত ১৮ জুলাই দুপুরে আমরা বাড়িতে কেহ না থাকায় মেহেদী হাসান সেই সুযোগে আমার বাড়ির ভিতর এসে আমার সোবার ঘরে আমার মেয়েকে মুখ চেপে ধরে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে।  ঈদের ২ দিন পর এই ঘটনাটি  আমার স্ত্রী কে, আমার মেয়ে জানাই।  বিষয়টি স্থানীয় মাতব্বর  আব্দুল রশিদ এর নিকট বলিলে আব্দুর রশিদ বিষয়টি মীমাংসা করিয়া দিবে বলিয়া বিভিন্ন রকম তালবাহানা করিয়া থানায় আসতে নিষেধ করে। এই ঘটনায় বিচার চায়ে কুমারখালী থানার একটি অভিযোগ দায়ের করি ৭ আগষ্ট রাতে।
মাতব্বর আব্দুল রশিদ জানান, দুই পক্ষই আমার আত্মীয় নিজেরাই বসে সমাধান করতে চেয়েছিলাম। এই জন্য থানায় যে নিষেধ করেছিলাম । রশিদের কাছে জানতে চাওয়া হয় আপনি এই ধরনের বিচার করতে পারেন কি ? তিনি বলেন, কেন ! কোর্ট বিচার করতে পারলে আমি পারবো না কেন। আমি এলাকার মাতব্বর।
স্কুল ছাত্রী জানান, মেহেদী হাসান  আমাকে  জোড় করে একাধিক বার ধর্ষণ করে। ধর্ষণের কথা কাউকে বললে আমাকে ও আমার পরিবারের সবাই কে মেরে ফেলা হবে এমন ভয় ভীতি দেখাই মেহেদী হাসান। আমি মেহেদী হাসানের অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে চাই।
এই বিষয়ে মেহেদী হাসানের স্ত্রী বলেন, আমি শুনেছিলাম যে মেহেদী ঐ ছাত্রীকে হাত ধরেছিল। ধর্ষণের কথা মিথ্যা। ধর্ষণের ঘটনায় হাসানের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন টি বন্ধ পাওয়া যায়।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৪ এর(খ)ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে মামলা নং ১০। তারিখ ১০/৮/২০২১   ইং। আসামিকে গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Post a Comment

0 Comments