Header Ads

করোনায় একদিনে সর্বোচ্চ ৯৬ জনের মৃত্যু

চেতনায় কুষ্টিয়া প্রতিবেদক ॥ দেশে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ে মৃত্যু ও সংক্রমণের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চ ৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৯৮৭ জনে।একই সময়ে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৫ হাজার ১৮৫ জন। এতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭ লাখ ৩ হাজার ১৭০ জন।বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৮৯ শতাংশ। গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ।একই সময়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন পাঁচ হাজার ৩৩৩ জন। এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা পাঁচ লাখ ৯১ হাজার ২৯৯ জন। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ।গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৯৬ জনের মধ্যে বিশোর্ধ্ব দুইজন, ত্রিশোর্ধ্ব দুইজন, চল্লিশোর্ধ্ব ১২ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ২৫ জন ও ষার্টোর্ধ্ব ৫৫ জন রয়েছেন।৯৬ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৬৮ জন, চট্টগ্রামে ১২ জন, খুলনায় পাঁচজন, বরিশালে পাঁচজন, সিলেটে তিনজন ও ময়মনসিংহ বিভাগে তিনজনের মৃত্যু হয়।উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা শনাক্তের কথা জানায় সরকার। গত বছরের মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে ছিল। এরপর থেকে শনাক্তের হার কমতে শুরু করেগত জুন থেকে আগস্ট- এই তিন মাস করোনার সংক্রমণ ছিল তীব্র। মাঝে নভেম্বর-ডিসেম্বরে কিছুটা বাড়লেও বাকি সময় সংক্রমণ নিম্নমুখী ছিল। এ বছর মার্চে শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। প্রথম ঢেউয়ের চেয়ে এবার সংক্রমণ বেশি তীব্র। মধ্যে কয়েক মাস ধরে শনাক্তের চেয়ে সুস্থ বেশি হওয়ায় দেশে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা কমে আসছিল। কিন্তু মার্চ থেকে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যাও আবার বাড়তে শুরু করেছে।কোনো দেশে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঠিক করা কিছু নির্দেশক থেকে বোঝা যায়। তার একটি হলো রোগী শনাক্তের হার। টানা দুই সপ্তাহের বেশি রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা যায়। এ বছর ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শনাক্তের হার ৩ শতাংশের নিচে ছিল। দুই মাস পর গত ১০ মার্চ দৈনিক শনাক্ত আবার হাজার ছাড়ায়। এরপর দৈনিক শনাক্ত বাড়ছেই।

 

 

No comments

Powered by Blogger.