থাইল্যান্ড’র পাতায়া ভিউ পয়েন্ট-সিলভার লেক-বৌদ্ধ মন্দির ও স্বর্ণ মন্দির : শেষ পর্ব


প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক চেতনায় কুষ্টিয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল, সহ-সভাপতি ও দৈনিক প্রবাহ প্রতিনিধি আনোয়ার পারভেজ শান্ত ও সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি প্রদীপ সরকার ১২ দিন মালেয়শিয়া ও থাইল্যান্ড সফর। শেষ পর্ব।
তারিখ ২৬/০৮/১৯ ইং।
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক চেতনায় কুষ্টিয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল, সহ-সভাপতি ও দৈনিক প্রবাহ প্রতিনিধি আনোয়ার পারভেজ শান্ত ও সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি প্রদীপ সরকার। থাইল্যান্ড’র পাতায়া ইন্ডিয়ান কারিহাট বাংলাদেশ রেষ্টুরেন্ট এর মালিক বাংলাদেশের ছেলে জামাল ভাই এর কথা না বললে না। সে আমাদের কে থাকার জন্য সৌদিয়ান এক মুসলিম হোটেল বুক করে দেয়। জামাল ভাই এর সহযোগিতায় কম টাকায় পাতায়া ঘুরার সুযোগ পেয়েছি। আমরা হোটেলে ৪ রাত অবস্থান করি। জামাল ভাই এর কারণে হোটেল মালিক ৩ দিনের ভাড়া নেয়। তার বাঙ্গালী হোটেলে আমরা খাওয়া দাওয়া করি। খাওয়ার কোন অসুবিধা হয়নি। আমরা তার কাছে কৃতজ্ঞ। আমাদের সাথে আরো ২ জন মুরুবী স্বামী স্ত্রী ছিলো। সকালে হোটেলের সামনে দাড়িয়ে থাকা অবস্থায় একটি মাইক্রোবাস এসে থামলো। মাইক্রোবাসে করে প্রথমে আমরা পাতায় সিলভার লেকে নিয়ে যায়। ড্রাইভার আমাদের জন্য ৫টি টিকিট কেটে নিয়ে আসে। আমরা সিলভার লেকের ভিতরে প্রবেশ করি। সিলভার লেক দেখে আমরা মুগ্ধ হয়। কতৃপক্ষ বেড়ানো জন্য তাদের নিজস্ব গাড়ি রয়েছে। গাড়ির ড্রাইভার আমাদের কে স্পট গুলোতে নিয়ে যায় আর তাদের ভাষায় বর্ণনা দিতে থাকে। সিলভার লেকটি বেশির ভাগ এলাকা জুড়ে ফুলের গাছ দিয়ে বাগান গুলো সাজানো হয়েছে। এর ভিতরে রয়েছে কালো আঙ্গুর ফলের বাগান। আঙ্গুর খাওয়া নিষেধ থাকার পরও আমরা চুরি করে আঙ্গুর ফল খাই। বিভিন্ন দেশের ছবির জন্য সুটিং করতে আসে। বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের গাছ রয়েছে। এর পাশাপাশি রয়েছে ফলের বাগান। সিলভার লেকের নিজস্ব জুসের ফ্যাক্টারী রয়েছে।  জুসের ফ্যাক্টারীর সামনে হঠাৎ গাড়ী থেমে পড়ে। টিকিটের একাংশ কেটে নেওয়ার পর সবাই কে তাদের নিজস্ব বাগানের আঙ্গুর এর ১ বোতল জুস দেয়। জুস খাওয়া শেষে আমাদের কে গাড়েিত করে নিয়ে আসে। সিলভার লেক আসলেই খুব সুন্দর। এর পর আমরা যায় বৌদ্ধ স্বর্ণ মন্দিরে। পাহাড়ের সাথে প্রায় ৩ হাজার কেজি স্বর্ণ দিয়ে বৌদ্ধ এর মূতির ছবি তৈরী করেছে। এরপর আমরা আনেকটি বৌদ্ধ মন্দিরে যায়। বৌদ্ধ মন্দির বেড়ানে শেষে আমরা যায় পাতায়া ভিউ পয়েন্ট। পাতায়া ভিউ পয়েন্টটি অনেক উচু জায়গা। সেখান থেকে পাতায়া শহর ও সমুদ্র সৈকত এর এলাকা গুলো সুন্দর ভাবে দেখা যায়।
বেড়ানে শেষে আমরা পাতায়া হোটেল থেকে বের হয়ে কারের করে আমরা থাইল্যান্ড এয়ারপোর্টে চলে আসি। এয়ারপোর্টে আসার পর ইমিগেশনে আমাদের কাছে থাকা হাতের লেখা বিমানের টিকিট দেখে তারা জানান এই টিকিট কেন? তাদের কে জানানো হয় মালেয়শিয়ার এয়ারপোর্টে ইন্টারনেট সংযোগ বিছিন্ন হওয়ায় তারা আমাদের কে হাতে লেখা টিকিট দেয়। কতৃপক্ষ যাচাই করে দেখে সে গুলো ঠিক আছে। আমরা থাইল্যান্ড এয়ারপোর্ট থেকে বিমানে করে বাংলাদেশে ফিরে আসি।

 

Post a Comment

0 Comments