ভেড়ামারা প্রেসক্লাবে বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী জাকির হোসেন বুলবুলের সাংবাদিক সম্মেলন

চেতনায় কুষ্টিয়া প্রতিবেদক ॥ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা প্রেসক্লাবে বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী  জাকির হোসেন বুলবুল লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে বলেন, এই মর্মে আপনাদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, আমি গত ২০/১০/২০২০ইং তারিখে বাহিরচর-ষোলদাগ গ্রামের মৃতঃ ইয়াসিন আলী মালিথার ছেলে অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম'র কাছ থেকে পশ্চিম বাহিরচর আরএস ৪২মৌজার ২২২৬ ও ১০৬৫ খতিয়ানভুক্ত ৯৪১৪ ও ৯৪১৫ দু'টি দাগের মোট .৪৭৫৭ একর (২৮কাঠার একটু বেশি) জমি নগদ মূল্যে ক্রয় করি। স্থানীয় সাবরেজিস্টার অফিস থেকে যার রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে এই জমিতে সিমেন্টের খুঁটি দিয়ে বাউন্ডারি দেওয়াল তৈরি করা হয়। এমতাবস্থায় আমার নিজ দখলীয় ঐ জমির মালিকানা দাবি করে অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম'র আপন সহোদর এ্যাড. তৌহিদুল ইসলাম আলম মালিথাসহ তার কয়েকজন ভাস্তে ও সশস্ত্র ক্যাডাররা জোরপূর্বক আমার জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে দিয়ে আদালতের মাধ্যমে ঐ জমির উপর ১৪৪ধারা জারি করায়। পরবর্তীতে গতন১১/০২/২০২১ তারিখে মহামান্য আদালত উভয়পক্ষের কাগজপত্র পর্যালোচনা করে জারিকৃত ১৪৪ধারা ভ্যাকেট করে দেন। এরপর আমি আমার উল্লিখিত জমিতে কিছু কাজ করতে থাকি। একারনে তারা গত ১৮/০২/২০২১ তারিখে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আরেকটি মিসকেস (মিসকেস নং-১০/২০২১) দায়ের করলে আদালত উভয়পক্ষকে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার আদেশ জারি করার পরও গত শনিবার রাতে উল্লিখিত আসামিরা আমার নৈশপ্রহরীকে অস্ত্রের মুখে আটকে রেখে ড্রামট্রাক ব্যবহার করে আমার নির্মাণকৃত দোকানঘর ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়। তারা নৈশপ্রহরীকে বিভিন্ন অশালীন গালিগালাজসহ হুমকি প্রদান করে। তারা বিভিন্ন মাধ্যমে আমাকেসহ আমার পরিবারের সদস্যদের জীবনহানির হুমকি দিচ্ছে। এমতাবস্থায় আমিসহ আমার পরিবারবর্গ চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ভয়ভীতির মধ্যে সময়াতিপাত করছি।
এমতাবস্থায় সার্বিক বিষয় আপনাদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে আমারসহ পরিবারের নিরাপত্তা প্রদান এবং আমার ক্রয়কৃত জমির উপর এ্যাড. তৌহিদুল ইসলাম আলম মালিথা গংদের দৌরাত্ম বন্ধের জোর দাবি জানাচ্ছি।
জাকির হোসেন বুলবুল,
পিতাঃ মৃত- জান মোহাম্মদ মন্ডল,
 সাংঃ ফারাকপুর,
উপজেলাঃ ভেড়ামারা, জেলাঃ কুষ্টিয়া

Post a Comment

0 Comments