ভেড়ামারা জুনিয়াদহে দোলুয়া বাজারের নামে জমি আত্মসাৎ’র অভিযোগ সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল'র বিরুদ্ধে

চেতনায় কুষ্টিয়া প্রতিবেদক ॥ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার জুনিয়াদহ ইউনিয়ন'র দোলুয়া গ্রামের হাট-বাজারের জমি আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে সাবেক উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম'র বিরুদ্ধে।
দোলুয়া গ্রামের বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে চাঁদা তুলে হাট-বাজারের জন্য জমি ক্রয় করেন। কিন্তু সেই ক্রয়কৃত জমি রক্ষক নিজেই ভক্ষন করেছে, এমন অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক'র নিকট স্থানীয়দের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ পত্র দাখিল করেছে।
স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার জুনিয়াদহ ইউনিয়নের দোলুয়া গ্রামের বাসিন্দাদের সুবিধার্তে একটি হাট-বাজার গড়ে তুলেন। যে জমিতে হাট-বাজার রয়েছে সে জমি হাট বাজারের নামে জমি ক্রয় করতে আর.এস রেকর্ডীয় মালিক ছকিনা খাতুনের নিকট ১৯৮৫ সালে বাজারের নামে জমি খরিদ করে। জমিতে দোকানপাট গড়ে উঠে। বাজারে সপ্তাহে দুই দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ও সোমবারে হাট বসে বর্তমানে বাজার হিসাবে পরিচিতি পায়।
কিন্তু  সম্প্রতি বাজারের জমিতে ২টা পাইকর গাছ কেটে বিক্রি করে সাবেক উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম।
বাজার কমিটির  কোষাগারে টাকা জমা না দিয়েই তিনি টাকা আত্মসাৎ করেন। এবিষয়ে তাকে জবাব দিতে বললে আমিরুল ইসলাম তাদেরকে সাফ জানিয়ে  দিয়েছেন এ জমি তার মেয়ে জুয়েল আক্তারের নামে ক্রয় করা। প্রতারণা করে হাট বাজারের নামে না ক্রয় করে নিজ মেয়ের নামে জমি রেজিস্ট্রী করে।
এঘটনা জানাজানি হলে এলাকায়  চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
 উল্লেখ্য বিষয় জমি ক্রয় করার সময় স্থানীয়রা আদায় কৃত সব টাকা সাবেক উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম'র নিকট জমা করেন এবং তাকেই বিশ্বাস করে দায়িত্ব দেন। আমিরুল  জমি ক্রয় করতে সমস্ত কাগজ ও রেজিষ্ট্রী করতে এক হাতে ও নিজেই ভুমিকা  রাখেন। সবার অগোচরে  হাট বাজারের নামে জমি ক্রয় না করে তার মেয়ে জুয়েল আক্তারের নামে জমি রেজিস্ট্রী করেন।
যা এতদিনে গোপন রেখেছিল। জনতার স্বার্থ রক্ষার নামে প্রতারক আমিরুলের বিরুদ্ধ ব্যবস্থা নিতে আজ বুধবার সকালে উপজেলা চত্বরে  বিক্ষোভ ও বিভিন্ন লেখা এক তরফের রায় মানিনা, কেনো সময় দেওয়া হলো না, দোলুয়া হাটের জমি ফেরত চাইসহ  শ্লোগান বুকে লাগিয়ে প্রদর্শন করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেন দোলুয়া গ্রামের বাসিন্দারা।
এ ঘটনায় দিন দিন স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে উঠছে। প্রশাসন কে এখনই এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মনে করছে সচেতন স্থানীয়  জনগোষ্ঠী।

Post a Comment

0 Comments