ভেড়ামারা প্রেসক্লাবে এ্যাডঃ মহঃ তৌহিদুল ইসলাম আলমের সাংবাদিক সম্মেলন

চেতনায় কুষ্টিয়া প্রতিবেদক ॥ "সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন  হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতেই বুলবুল সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন।পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেন এ্যাডঃ মহঃ তৌহিদুল ইসলাম আলম"।
জাকির হোসেন বুলবুল জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে  আমার (এ্যাডঃ মহঃ তৌহিদুল ইসলাম আলম) বিরুদ্ধে যে লিখিত বক্তব্য  উপস্হাপন করেছিলেন,তা সম্পুর্ন মিথ্যা, বানোয়াট, অসত্য ও কাল্পনিক।আইনগত অধিকার বঞ্চিত করা এবং সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন  হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতেই সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন বলে  পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেন এ্যাডঃ মহঃ তৌহিদুল ইসলাম আলম।
তিনি  তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বুলবুলের বক্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করেন।
এডঃ মহঃ তৌহিদুল ইসলাম আলম আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভেড়ামারা প্রেসক্লাবের হলরুমে এক সাংবাদিক সম্মেলনে  লিখিত বক্তব্যে বলেন, প্রকৃত ঘটনা এই যে, ২২২৬ ও ১০৬৫ খতিয়ান ভুক্ত ৯৪১৪ ও ৯৪১৫ নং দাগে  সম্পত্তির মালিক আমরা ও আমার চাচারা।পরবর্তীতে আমার ভ্রাতা অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম ক্রয় করেন। তৎপরবর্তীকালে আমার ভ্রাতা বন্টন নামা ছাড়ায় আমার ভোগ ও দখলকৃত সম্পত্তি কোন অংশীদারকে অবগত না করেই গোপনে বিক্রয় করে দেয়। ক্রেতা জাকির হোসেন বুলবুলকে উক্ত সম্পত্তি আমার ভ্রাতা সরজমিনে দখল ও হস্তান্তর করেন নাই। যেহেতু আমি এজমালি সম্পত্তির একজন মালিক এবং, ঈড় ঝযধৎবৎ নু ওহযবৎরঃধহপব  সুতরাং আমি মুসলিম আইনে কুষ্টিয়া জেলার অন্তগত ভেড়ামারা সাব রেজিস্ট্রী অফিসে গত ২০/১০/২০২০ তারখে ২৮৮৮ নং খোষ কবলা দলিলের ক্রেতা মোঃ জাকির হোসেন বুলবুল বিক্রেতা অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম এর নামীয় দলিলের বিরুদ্ধে মুসলিম আইনে প্রিয়েমশন মোকদ্দমা দায়ের করি এবং তা গৃহীত হয়ে বর্তমান বিচারাধীন রয়েছে।এই মামলার ইনফরমেশন স্লিপ বাহিরচর তফসিল অফিস ও ইউনিয়ন পরিষদে দাখিল করি। ইতিমধ্যে বুলবুল কাগুজে হস্তান্তরকৃত জমি খারিজ না করে কোন পার্শ্বে দখল করবে, তা না বুঝে নিয়ে এবং জমি জরিপ না করেই আমার ভরাট কৃত দখলীয় সম্পত্তি জাকির হোসেন বুলবুল'র নেতৃত্বে কতিপয় সন্ত্রাসী সহ জমি দখল করতে গেলে আমার ভাতিজা তাদের নিষেধ করে।
নিষেধ উপেক্ষা করে জোরপূর্বক দখল নেওয়ার চেষ্টা করে। তখন সন্ত্রাসীর সাথে সংঘর্ষে না জড়িয়ে নির্বাহী আদালতে ১৪৪/১৪৫ ফৌঃ কাঃ বিধি  মোতাবেক মামলা দায়ের করি।
১ম পক্ষ জহুরুল ইসলাম বিজলী ২য় পক্ষ জাকির হোসেন বুলবুল মামলা নং-৩৬/২০২০ বিজ্ঞ আদালত উভয় পক্ষই শুনিয়া ১৪৪ ধারা জারি করেন।
এবং থানার তদন্তভার দেন। তদন্তের ফলাফল আমাদের অনুকুলে আসে। অনুরুপ  সহকারী কমিশনার ভুমি তদন্ত আমাদের পক্ষে আসে। ১১/০২/২১ অভয় পক্ষের কৌশুলীর বক্তব্য শুনে  বিজ্ঞ দেওয়ানী আদালত ৮/২/২১ তারিখে দেং- ৭৯/২০২০ নং মামলায় বাদী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করলে
আদালত ১৫ দিনের শোকজের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়, সেই সার্টিফাইড কপি থানায় দাখিল করি থানাকে ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ করি।
কিন্তু  জাকির হোসেন বুলবুল তার নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী নিয়ে অবৈধ ভাবে জমি দখল করার চেষ্টা করলে নিরুপায় হয়ে ২৪/২/২১ তারিখে আমি নিজে বাদী হয়ে অতিরিক্ত জেলা মেজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করি মামলা নং মিস ১০/২০২১ ভেড়ামারা।
আদালত শান্তি শৃঙ্খলা বজায়  রাখতে ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ কে নির্দেশ দিলে তিনি এস আই প্রকাশ রায় কে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নির্দেশ দিলে এস আই  প্রকাশ রায় কোন পক্ষ শান্তি শৃঙ্খলা অবনতি ঘটাইলে তার বিরুদ্ধে আইনগতভাবে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে নির্দেশ প্রদান করে।
এ আদেশ থাকা সত্বেও সন্ত্রাসীদের নিয়ে জমি দখল করতে যাওয়ার অর্থ হলো আদালত অবমাননা করা।
জাকির হোসেন বুলবুল বারবার এ অপরাধ উদ্যত হচ্ছে।
উক্ত বেআইনী কার্য্য হতে  নিজে রেহায় পাবার জন্য বুলবুল মিথ্যা  সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
আমাকে ভেড়ামারা উপজেলা সহ কুষ্টিয়া জেলার সকল ব্যক্তিবর্গ  ও সর্বস্তরের মানুষ আমাকে চেনে ও জানে।
আমি কুষ্টিয়া জেলা কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবী সমিতির একজন আইনজীবী ও ভেড়ামারা পৌরসভার সফল মেয়র ছিলাম। এবং সফল উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলাম। অতএব আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে আমার মান সম্মান হানী করেছেন।বুলবুলের মিথ্যা  সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য মতে আমি ও আমার পরিবারের কেউ জড়িত নয়।জাকির হোসেন বুলবুল সন্ত্রাসীদের ব্যবহার এবং  বিত্তশালী, ক্ষমতাশালী দলের জনৈক সভাপতির দুলাভাই, প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাবান ব্যক্তি হওয়ায় আমাকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ প্রয়োগ করে, হুমকি প্রদান করে এখনও তা চলমান রয়েছে।
আমি আইনের প্রতি  শ্রদ্ধাশীল আইনপেশায় নিয়োজিত একজন আইনের সেবক। আমি জাকির হোসেন বুলবুল'র হাত থেকে রক্ষা পেতে আইন আদালতের সরনাপন্ন হয়েছি। সংবাদ সম্মেলনে তার লিখিত  বিবৃতি আমি ঘৃনাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট আমার আকুল আবেদন আমার ও আমার শরিকদের জীবন রক্ষার জন্য বুলবুল ও তার ভাড়া কর সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর সম্পত্তি যদি  অবৈধ ভাবে সন্ত্রাসীদের দখলে চলে যায় তাহলে মানুষ বিচার পাবে কোথায়। সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে আমার আকুল আবেদন দেং- ৭৯/২০২০ মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং  মিস ১০/২০২১ এর শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার আদেশ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বে-আইনী ভাবে কোন পক্ষই দখলের চেষ্টা  না করার জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসার ইনচার্জ  আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আশা রাখি।
মোহাঃ তৌহিদুল ইসলাম আলম
এ্যাডভোকেট, জজ কোর্ট কুষ্টিয়া।
পিতা- মৃত ইয়াসিন  আলী
সাং- নওদাপাড়া, থানা - ভেড়ামারা, জেলা- কুষ্টিয়া।

Post a Comment

0 Comments