Random Posts

ভ্যালেন্টাইনস ডে সম্পর্কে কিছু কথা : লেখক আবদুল্লাহ আকাশ

খ্রিস্টান ধর্মে পাদ্রীদের বিয়ে করার সংস্কৃতি নেই। এরা সারা জীবন অবিবাহিত অবস্থায় থাকে।
কিন্তু প্রেম বিবাহ এসব মানুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য। প্রেম ভালোবাসা নারী পুরুষের পারস্পারিক আকর্ষণ সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত একটি নেয়ামত। মানুষ ইচ্ছা করলেও সম্পূর্ণ ভাবে এই দৈহিক সম্পর্ক থেকে মুক্ত থাকতে পারে না।
কিন্তু খ্রিস্টান ধর্মে পাদ্রীরা বৈরাগ্যবাদী এক জীবন যাপন করে।
কিন্তু এই পাদ্রীরাও এসব মানবিক বৈশিষ্ট্য থেকে মুক্ত হতে পারে না। কখনও কখনও গীর্জার মাঝেই ধর্ষণ করে - আবার কখনও কখনও নারী বৈরাগ্যবাদীদের সাথে গড়ে তোলে অবৈধ সম্পর্ক।
বৈধ সম্পর্ক বিয়ের ধার না ধারলেও অবৈধ প্রেমেই জীবন কাটায় তারা।
এমনই এক পাদ্রীর নাম হলো "ভ্যালেন্টাইন"। যাকে এক রাজা গ্রেফতার করে জেলে বন্দি করে রাখে। আর কারাগারের কারারক্ষীর অন্ধ মেয়ের সাথে গড়ে তোলে অবৈধ সম্পর্ক এই পাদ্রী।
এই দুশ্চরিত পাদ্রীর স্মরনেই ১৪ই ফেব্রুয়ারিকে 'ভ্যালেন্টাইন'স ডে' নামে  পালন করা হয়। ঘোষণা করেন ৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউও ১ম জুলিয়াস।
উইকিপিডিয়াতে ভ্যালেন্টাইনস ডে কে বলা হয়েছে একটি খ্রিস্টীয় সংস্কৃতি হিসেবে।
আর  এই দিনের সাথে ভালোবাসার নূন্যতম  কোনো সম্পর্ক বিদ্যমান নেই।
এই দিনটাই উৎযাপন হয় এক দুশ্চরিত্র খ্রিস্টান পাদ্রীর স্মরণে। যাদের জীবনে পবিত্র ভালোবাসা বলে কিছুই নেই। তারা জীবনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় না। যাদের জীবনই কাটে অবৈধ প্রেম আর শারীরিক  সম্পর্কের মাঝে। তেমনি একজন পাদ্রীর স্মরণে পালন করা ভালোবাসা দিবস এটা হাস্যকর।
একজন মুসলিম  এর জন্য  এই দিবস পালন করার মতো লজ্জাজনক কোনো ঘটনা হতেই পারে না।
খ্রিস্টানদের সংস্কৃতি একজন মুসলিম হয়ে কিভাবে পালন করি?? তাও একজন চরিত্রহীন পাদ্রীর স্মরণে?
একটু চিন্তা করো হে যুবক যুবতী- একজন দুশ্চরিত্র পাদ্রীর স্মরণে উৎযাপিত দিবস পালন করে তার অন্তর্ভুক্ত হবা নাকি নিজের ঈমান আমল সুরক্ষিত রাখার জন্য ঐ সব পশ্চিমা নোংরা কালচার বর্জন করবা!

Post a Comment

0 Comments