থাইল্যান্ড’র রাতের পাতায়া : একাদশ পর্ব

প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল :
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক চেতনায় কুষ্টিয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল, সহ-সভাপতি ও দৈনিক প্রবাহ প্রতিনিধি আনোয়ার পারভেজ শান্ত ও সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি প্রদীপ সরকার ১২ দিন মালেয়শিয়া ও থাইল্যান্ড সফর। একাদশ পর্ব।
তারিখ ২৪/০৮/১৯ ইং।
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক চেতনায় কুষ্টিয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল, সহ-সভাপতি ও দৈনিক প্রবাহ প্রতিনিধি আনোয়ার পারভেজ শান্ত ও সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি প্রদীপ সরকার থাইল্যান্ড’র পাতায়া অবস্থান করি। থাইল্যান্ড’র পাতায়া কে রাত কে দিন বলা হয় আর দিন কে রাত বলা হয়।
অপূর্ব সুন্দর ও ঝকঝকে পাতায়াকে দেখছিলাম। কী বিচিত্র প্রকৃতি, বিচিত্র তার রূপ! পাতায়া শহরে একটি বিষয় লক্ষ্য করলাম, এখানে প্রচুর বিউটি স্যালন বা মাসাজ পার্লার। ৫ মিনিটের হাঁটার পথে ৭-৮টি বিউটি স্যালন বা মাসাজ পার্লার দেখা মিলল। আর মেয়েরা অনেক সেজেগুজে বাইরে বসে থাকেন। মূল আকর্ষণের পালা, তা হলো সমুদ্র দর্শন। সমুদ্র বরাবরই আমায় কাছে টানে। তাই আমরাও হারিয়ে গেলাম অজানা আনন্দে। অনেক ছবি তুললাম। একটা জিনিস খেয়াল করলাম, ট্যুরিস্ট প্লেসগুলোতে দাম কয়েক গুণ বাড়িয়ে বলে। এর আগেও যতগুলো ট্যুরিস্ট প্লেসে গিয়েছি, একই বিষয় লক্ষ্য করেছি। রাতের পাতায়া শহর। পুরো শহর যেনো আলোতে ঝলমল করছে। এ এক অন্যরকম রূপ, যা দিনের পাতায়ার সঙ্গে রাতের ঝলমলে আলোর পাতায়াকে আলাদা করে। তবে বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে এ শহর খাপ খায় না। মার্কেটে ঘুরতে ঘুরতে চোখে পড়লে বিশাল একটি কুমির কে জ্বালিয়ে কিমা করতে দেখা যাচ্ছে। বিদেশেরী কুমির মাংস কিনে সেখানে খেতে দেখা যায়। সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পাতায় সমুদ্র সৈকতের ধারে শত শত পতিতা তাদের খদ্দেরের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়। এখানে পতিতাদের হার্ট বসে। দিনের বেলায় খাবার হোটেল গুলো সন্ধ্যার পর হয়ে যায় মদের দোকান বা বার। বারের সামনে যুবতী মহিলাদের সাজিঁয়ে বিনোদন দেখাতে থাকে। ড্যান্স ক্লাবে টিকিট কাটলে টিকিটের মুল্য হিসাব করে সে পরিমান বিয়ার বা মদ দিয়ে থাকে। এখানের পানির চেয়ে মদের দাম কম। সন্ধ্যা থেকে ভোর রাত পর্ষন্ত পাতায়া শহর পুলিশের নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে সকল প্রকার বিনেদন চলে। চলবে।

Post a Comment

0 Comments