৮ম দিন সফর শেষে বিদায় মালেয়শিয়া : দশম পর্ব

প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল :
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক চেতনায় কুষ্টিয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল, সহ-সভাপতি ও দৈনিক প্রবাহ প্রতিনিধি আনোয়ার পারভেজ শান্ত ও সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি প্রদীপ সরকার ১২ দিন মালেয়শিয়া ও থাইল্যান্ড সফর। দশম পর্ব।
তারিখ ২৩/০৮/১৯ ইং।
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক চেতনায় কুষ্টিয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল, সহ-সভাপতি ও দৈনিক প্রবাহ প্রতিনিধি আনোয়ার পারভেজ শান্ত ও সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি প্রদীপ সরকার ৮ দিন সফর শেষে বিদায় মালেয়শিয়া। মালেয়শিয়া বিদায়ের শেষ দিনে ভেড়ামারা কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও বেতার শিল্পী মরহুম আব্দুল লতিফ মালিথার ছেলে রবিন ও কোকোর মালেয়শিয়ার ৩৬ তলা বাসা থেকে আমরা বের হয়। দুলাভাই হিসাবে পরিচিত জাহান ৫ম তলা থেকে তার গাড়ী বের করে আমাদের কে আনোয়ার পারভেজ শান্ত এর শ্যালক মিঠুন এর বাসায় পৌঁছায় দেয়। মিঠুনের বাসায় ডুকে দেখতে পায় ৮০ বছরের মুরুবি জামাল বিন মাইদিন আমাদের জন্য রান্না করছে। জামাল বিন মাইদিন খুব সুন্দর রান্না করে। রান্না শেষে দুপুরে আমরা সবাই মিলে একসাথে লাঞ্চ করি। জাহান আমাদের রেখে সে চলে যায়। সব শেষ করে আমাদের কে মিঠুন এর রুমমেট মুরুবি জামাল বিন মাইদিন তার গাড়ীতে করে কোচ ষ্ট্যান্ডে পৌঁছায় দেয়।  মিঠুন ও তার রুমমেট মুরুবি জামাল বিন মাইদিন আমাদের জড়িয়ে ধরে তখন আবেগ ঘন মুর্হুতের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বাসষ্ট্যান্ড থেকে এসি কোচে করে আমরা বিমান বন্দরে পৌঁছায়। বিমান বন্দরে ইমিগেশনে বিশাল লাইনে আমরা দাঁড়ায়। লাইনে দাড়ানো অবস্থায় হঠাৎ শুনতে পায় ইমিগেশনের সফটওয়ার(ইনটারনেট) হ্যাক হয়েছে। ম্যানুয়াল পদ্ধতি ধীর গতিতে ইমিগেশনের কাজ চলতে থাকে।  থাইল্যান্ডসহ অন্যান্য দেশে বিমানের টিকিট তারা হাতে লিখে দেয়। টিকিট নিয়ে আমরা বিমানে উঠি।  সফটওয়ার (ইনটারনেট) ক্রটির কারণে বিমান ২ ঘন্টা লেটে ছাড়ে। থাইল্যান্ড বিমান বন্দরে পেীঁছানের পর ইমিগেশন শেষ করে ল্যাগেজের জন্য অপেক্ষা করতে থাকি। শান্ত ও প্রদীপের ল্যাগেজ পেলেও আমার লেগেজটি পাওয়া যায়নি। অভিযোগ দিয়ে আমরা বিমান বন্দর থেকে বের হয়। আমাদের বিমান লেট হওয়ায় বুককৃত গাড়ীটি খুজে পেতে দেরী হয়। অবশেষে আমাদের গাড়ী বিমান বন্দরের সামনে মহিলা ড্রাইভার তার গাড়ী নিয়ে হাজির হয়। থাইল্যান্ডের পাতায় এর উদ্দেশে রওনা হয়। নিদিষ্ট হোটেলে আমরা পৌঁছানের পর রেস্টনি।
থাইল্যান্ডের বিমান বন্দরের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। আমার হারানো ল্যাগেজটি বিমান বন্দরের কতৃপক্ষ ঐ দেশের ১২ শত টাকা গাড়ি ভাড়া দিয়ে আমাদের হোটেলে পেীঁছায় দেয়। বিমান কতৃপক্ষের সেবা দেখে আমি অভিভূত হয়। 

Post a Comment

0 Comments