Header Ads

বিদায় সমুদ্র সৈকত লাংকাউয়ে ঃ নবম পর্ব

প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক চেতনায় কুষ্টিয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল, সহ-সভাপতি ও দৈনিক প্রবাহ প্রতিনিধি আনোয়ার পারভেজ শান্ত ও সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি প্রদীপ সরকার ১২ দিন মালেয়শিয়া ও থাইল্যান্ড সফর। নবম পর্ব।
তারিখ ২২/০৮/১৯ ইং।
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক চেতনায় কুষ্টিয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল, সহ-সভাপতি ও দৈনিক প্রবাহ প্রতিনিধি আনোয়ার পারভেজ শান্ত ও সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি প্রদীপ সরকারসহ  মালেয়শিয়ায় চাকুরীজীবি আনোয়ার পারভেজ শান্ত এর শ্যালক মিঠুন ও ভেড়ামারার গোডাউন মোড় এলাকার শরিফুল ইসলাম শরিফ। আমরা ৫ জন সকালে চেনাং মিমপি রির্সোট থেকে বের হয়ে সমুদ্র সৈকতের উদ্দেশে রওনা হয়। সমুদ্র সৈকতে শেষ গোসল আর আড্ডা চলে। গোসল শেষে আবার আমরা রির্সোটে ফিরে আসি। হোটেল থেকে বের হয়ে আমরা ৪ জন গাড়ী যোগে লাংকাউয়ের লঞ্চ ঘাটে আসি। লঞ্চের টিকেট কেটে আমরা মালেয়শিয়ার শহরের উদ্দেশে রওনা হয়। প্রায় ২ ঘন্টা পর আমরা লঞ্চ থেকে নামার পর প্রচন্ড বৃষ্টি শুরু হয়। ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির কারণে লাংকাউয়ে সকল লঞ্চ ও বিমানে শিডিউল বাতিল করে। আমাদের কোন সমস্য না হওয়ায় আল্লাহ নিকট শুকরিয়া আদায় করি। শরিফুল ইসলাম শরিফ তার স্ত্রী ও মেয়ে থেকে যায় বিমানের অপেক্ষায়। তারা দুপুরে বিমানে মালেয়শিয়া শহরে আসার কথা ছিলো। কিন্ত বিমানে সিডিউল বাতিল হওয়ায় তাদের আসতে দেরি হবে বলে আমাদের জানান। লঞ্চ ঘাটের নিকট আমাদের কার গাড়ীর মালিক ৮০ বছরের বৃদ্ধ জামাল বিন মাইদিন যে হোটেলে অবস্থান করছিলো সেখানে আমরা আসি। তাকে রেডি করে আমরা বৃষ্টির মধ্যে প্রায় ৫শত কিলোমিটার দুরে মালেয়শিয়ার শহরের উদ্দেশে রওনা হয়। জামাল বিন মাইদিন এর গাড়ীর চলতে থাকে। প্রায় ২ শত কিলোমিটার আসার পর হঠাৎ গাড়িটি পেনাং জজ টাউন শহরে প্রবেশ করে। আমরা জানতে চাই এখানে কেন। তিনি জানান আমার জন্মভূমি। তার শৈসব কালের স্মৃতি বলতে থাকে। তার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের জায়গা গুলো দেখাতে থাকে। এবার সে তার শ্যালিকার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যায়। তার শ্যালিকার সাথে আমাদের পরিচয় করে দেয়। সে জানান এ অঞ্চলে ভারতের লোকজন বেশি থাকে। অনেক মন্দির দেখা গেল। দুপুর গড়িয়ে যেতে থাকায় সকার খিদে পায়। একটি মুসলিম হোটেলে দুপুরের লাঞ্চ করে আবার রওনা হয়। গাড়ি চলা অবস্থায়  জামাল বিন মাইদিন বলেন আমি ফুটবল খেলতাম। সে একজন ভালো ফুটবল খেলোয়াড় ছিলো। যে মাঠে সে খেলাধুলা করেছিলো সেই মাঠটি দেখান। গাড়ি চলতে চলতে সন্ধ্যার সময় আমরা মালেয়শিয়ার শহরে  আনোয়ার পারভেজ শান্ত এর শ্যালক মিঠুন এর বাসায় পৌছায়। সেখানে ফেশ হয়ে আমরা মার্কেটে যায়। মার্কেটে ঘুরাঘুরি শেষে রাত ১০ টার সময় মালেয়শিয়ার শহরে  থাকে ভেড়ামারার ধরমপুরের মেয়ে জিনিয়া নাসরিন তার বাসায় আমাদের আমন্ত্রন জানায়। তার বাসায় আমরা রাতে ডিনার করি। ডিনার শেষে আমরা গন্তব্য ফিরে আসি।
 চলবে।

No comments

Powered by Blogger.