Random Posts

রিমান্ড শেষে দুই মাদ্রাসাছাত্র আদালতে

চেতনায় কুষ্টিয়া প্রতিবেদক ॥ কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় হওয়া মামলার দুই আসামিকে পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে নিয়েছে পুলিশ। রোববার বেলা দুইটার দিকে পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয় থেকে কড়া পাহারায় তাঁদের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দেলোয়ার হোসেনের আদালতে নেওয়া হয়। ওই দুজন হলেন জেলা শহরের জুগিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার ইবনে মাসউদ (রা.) মাদ্রাসার শিক্ষার্থী আবু বক্কর ওরফে মিঠুন ও সবুজ ইসলাম ওরফে নাহিদ। আজ আদালতে তাঁদের জবানবন্দি চলছে।
মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কুষ্টিয়া মডেল থানার পরিদর্শক নিশিকান্ত সরকার ওই দুজনকে আদালতে নেন। এ সময় আসামিদের শরীরে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, মাথায় হেলমেট ও হাতকড়া পরানো ছিল। আদালত চত্বরেও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
এর আগে শনিবার একই মামলায় ওই মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আল আমিন  ও মো. ইউসুফ আলী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত বলেন, এর আগে তিনজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে আটজন পুলিশ কর্মকর্তা আসামিদের হেফাজতে নিয়ে পাঁচ দিন জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। আদালতে জবানবন্দিতে তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারেন।
এর আগে শনিবার একই মামলায় ওই মাদ্রাসার শিক্ষক কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ধুবইল গ্রামের মো. আল আমিন ও পাবনার আমিনপুর থানার দিয়াড় বামুন্দি এলাকার মো. ইউসুফ আলী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
আদালত-পুলিশ সূত্র জানায়, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের খাসকামরায় আবু বক্কর ও সবুজ ইসলাম ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেবেন। এরপর তাঁদের কারাগারে পাঠানো হবে। একই আদালতে ওই দুই মাদ্রাসাশিক্ষক স্বীকারোক্তি দেন। সেখানে তাঁরা জানান, তাঁরা ওই দুই ছাত্রকে মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে যেতে বলেছিলেন।
৪ ডিসেম্বর রাতে কুষ্টিয়া শহরের পাঁচ রাস্তার মোড়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙচুর করা হয়। পরদিন কুষ্টিয়া পৌরসভার সচিব কামাল উদ্দীন কুষ্টিয়া মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন।

Post a Comment

0 Comments