ভেড়ামারায় জুনিয়াদহ ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসাবে সাহানুল’ই যোগ্য চেয়ারম্যান প্রার্থী

চেতনায় কুষ্টিয়া প্রতিবেদক \ দল ও জনতার আস্থাভাজন সাথে পরিক্ষিত আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসাবে সাহানুল'ই একমাত্র  যোগ্য চেয়ারম্যান প্রার্থী। এমনই গুঞ্জন চলছে জুনিয়াদহ ইউনিয়ন জুড়ে। কেন এমন  গুঞ্জন এলাকা ঘুরে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে জনাগেছে, দুঃসময়ে দলের কান্ডারী হয়ে কে এম সাহানুল হক দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। দলীয় নেতাকর্মী  সমর্থক এমনকি একদম সাধারণ জনতা সেখানে আর কাউকেই কাছে পায়নি।
গন মানুষের সাফকথা দুঃসময়ে যে আমাদের পাশে ছিলো এখন তাকেই আমরা এবার চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চায়। সেদিক  বিবেচনা  করে সাহানুলকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই। বিগত দিনে আনরা খেয়াল করেছি দল আমার ক্ষমতায় অথচ পরিস্থিতি এমন আমরা বিরোধী দলে রয়েছি। এই সাহানুল তার শ্রম মেধা দিয়ে আমাদের আগলিয়ে রেখেছিলেন এখনো  সেই দায়িত্ব পালন করছে। একথা গুলো বলছিল একজন পোড় খাওয়া পবীণ আওয়ামীলীগার বা একনিষ্ঠ সমর্থক জগলুল হক।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার জুনিয়াদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক আহবায়ক ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এবং বর্তমানে আওয়ামীলীগের কান্ডারী কে এম সাহানুল হক অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই তৃনমুলের দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নবাসীরা উন্মুখ হয়ে আছে। সে দলের প্রতি একজন নিবেদিত প্রাণ শুধু নয় একজন রাজনৈতিক যোগ্য কর্মী ও সংগঠক। তার অতীত হলো সে ও তার পরিবার ত্যাগী ও পরিক্ষীত বঙ্গবন্ধুর আর্দশের একজন বাহক।
কে এম সাহানুল হক জুনিয়াদহ ইউপি নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাবেন বলে এই  প্রত্যাশা দলীয় নেতা-কর্মী , সমর্থক ও ইউনিয়নবাসীর।
ভেড়ামারার জুনিয়াদহ ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, একাধিকবার নির্বাচিত মেন্বার ও রিলিফ কমিটি’র অন্যতম সদস্য ও ত্যাগী নেতা মরহুম খন্দকার আমিরুল হকের সুযোগ্য সন্তান কে এম সাহানুল হক। তার পরিবার মানে আওয়ামী লীগের পরিবার। বিরোধী দলে থাকাকালীন সময় কে এম সাহানুল হক ও তার পরিবার বারবার হামলা ও মামলা স্বীকার হন।
কে এম সাহানুল হক ১৯৮৭ সালে জুনিয়াদহ মাধ্যামিক বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেনী পড়াকালীন সময় আওয়ামী ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়ে। ১৯৮৭ সালে জুনিয়াদহ মাধ্যামিক বিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহন করেন। ১৯৯১ সালে বঙ্গবন্ধু কিশোর সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটি’র প্রতিষ্ঠাতা প্রচার সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৬ সালে জুনিয়াদহ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হন। ২০০৫ সালে ভেড়ামারা উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১২ সালে জুনিয়াদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ন আহবায়ক হিসাবে মনোনীত হন। ২০১৭ সালে জুনিয়াদহ ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক হিসাবে নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালে জুনিয়াদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছে।
জুনিয়াদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক আহবায়ক ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এবং আওয়ামীলীগের কান্ডারী কে এম সাহানুল হক এর শরীলে রয়েছে আওয়ামী লীগের রক্ত। সর্বস্তরের জনসাধারণ কে এম সাহানুল হক জুনিয়াদহ ইউপি নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই।

Post a Comment

0 Comments