Random Posts

ভেড়ামারায় যৌতুক মামলার আসামী সজল গোপনে বিদেশে পলায়নের চেষ্টা

চেতনায় কুষ্টিয়া প্রতিবেদক \ যৌতুকের দুই লক্ষ টাকা না পেয়ে স্বামী কর্তৃক গৃহবধূ কে বাড়ি ছাড়া করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নির্যাতিত গৃহবধু আদালতে যৌতুক নিরোধ  আইনে মামলা করেছেন। মামলা চলাকালীন সময় ১নং আসামী আগামী ০৩/১১/২০ তারিখে গোপনে বিদেশ চলে যাওয়ার সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলে জানাগেছে। মামলার সুত্রে জানা গেছে, গত ৬বছর পূর্বে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার পরানখালি গ্রামের আক্কিল আলীর ছেলে সজলের সাথে উপজেলার দক্ষিণ ভবানীপুর গ্রামের মঈন উদ্দীনের মেয়ে মুন্নী আফরিনের সাথে পারিবারিক ভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিয়ের দিনই নগদ ১লক্ষ টাকা, সোনার গহনা ৩ ভরিসহ সাংসারিক প্রায় ৬০ হাজার টাকার আসবাবপত্র প্রদান করে কনে পক্ষ। এর কিছুদিন পরেই বিদেশে যাওয়ার কথা বলে দুই লক্ষ টাকা দাবি করে। মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে মেয়ের বাবা মইন উদ্দিন দুই লক্ষ টাকা প্রদান করে। বিদেশ থেকে সজল ৪বছর পর ফিরে কিছু দিন যেতে না যেতেই আবারও দুই লক্ষ টাকা দাবি করেন। এমতাবস্থায় নিজেই অভাবে জর্জরিত  মেয়ের বাবা টাকা দিবে কোথায় থেকে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে স্বামী সজল ও বাবা আক্কিল আলী টাকা আদায়ে অনড় থাকে। টাকা না পেয়ে গৃহবধূ মুন্নী আফরিন কে শারিরীক মানসিক নির্যাতন করে সন্তানসহ বাড়ি থেকে বিতাড়িত করে।পরে মুন্নীর অভিভাবকরা সজল ও তার বাবা আক্কিল আলী কে বোঝানোর চেষ্টা করেও বিফল হন। যৌতুক লোভী স্বামী, শ্বশুর সাফ জানিয়ে দিয়েছে দুই লক্ষ টাকা না দিলে মেয়ে ঘরে তুলবে না।উপায়ান্ত না পেয়ে গৃহবধূ মুন্নী বাদী হয়ে কুষ্টিয়া আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং ভেড়ামারা সিআর ৮৮/ ২০২০ ইং। মামলার ১নং আসামী সজল গোপনে ০৩/১১/২০ তারিখে বিদেশ অর্থাৎ সৌদি আরব চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। যেহেতু আদালতে মামলা চলমান বিদেশে যাওয়া বন্ধ করতে আইনের  সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন নির্যাতিত মুন্নী  ও তার পরিবার।

 

Post a Comment

0 Comments