ভেড়ামারা পৌরসভার ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ড মহিলা কাউন্সিলর ডলি হয়েছে ঘরের মেয়ে, করেছে মন জয়

চেতনায় কুষ্টিয়া প্রতিবেদক \ শুধুমাত্র ভালোবাসা ও নিবিড় যোগাযোগ, সুসময়, দুঃসময় মানুষের পাশে থাকার কারণে আজ ব্যাপক জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছে ভেড়ামারা পৌরসভার তিনবারের মহিলা কাউন্সিলর ডলি খাতুন।
তিনি দিন-রাত, ঝড়-বৃষ্টি এগুলোকে উপেক্ষা করে, প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে।
আর এ কারণেই আজ ডলি খাতুন ৪,৫,৬নং ওযার্ডে জনপ্রিয় মহিলা কাউন্সিলর হিসেবে নিজেকে আবির্ভূত করতে পেরেছেন। সে একজন খুবই সাধারণ ঘরের গৃহবধূ। অর্থ, বিত্ত, যশ, খ্যাতি কিছুই তার নেই। আছে তার মমতা ময়ী হাসি। আছে তার নিখাদ ভালবাসার বিশাল ভান্ডার। আছে তার মানুষের মন জয় করার অপূর্ব ক্ষমতা। আছে তার নিষ্ঠা, সততা, দায়িত্ববোধ। আছে মানুষের কথা রাখার দায় বদ্ধতা। এগুলোই তার একমাত্র সম্বল।
এগুলো অর্জন করতে তাকে অনেক প্রতিকূল অবস্থা ও পরিবেশ পাড়ি দিতে হয়েছে। আর এর ফলাফল সরুপ বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন বার বার। এভাবে যদি বলি বিপুল ভোটে নয়, মানুষের ভালোবাসা পেয়ে জয়ী হয়েছেন বার বার।
এখন পর্যন্ত এ ভালোবাসাকে কর্মদক্ষতার সাথে ধরে রেখেছেন। গত করোনাকালে চরম সংকটের মাঝেও তার অভাবের সংসারের মধ্যে থেকেও অভাবী মানুষের পাশে এক মুঠো চাল নিয়ে হলেও দাড়িয়েছেন তিনি। সরকারের দেয়া সাহায্য-সহযোগিতা সততার সাথে তাদের মাঝে বন্টন করেছেন। প্রতিদিন, প্রতি নিয়ত সে ভোর থাকতে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় ৪,৫,৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের ভাল-মন্দ খোঁজখবর নিতে।
এসময় তাদের অভাব-অভিযোগ আন্তরিকতার সাথে মন দিয়ে শোনেন এবং তার সীমাবদ্ধতার মধ্যে যেগুলো সম্ভব সেগুলো আন্তরিকতা দিয়ে সমাধান করেন। যদিও মহিলা কাউন্সিলের করনীয় সীমিত। তবুও তিনি কাউন্সিলরদের সাথে নিয়ে সকল উন্নয়ন মূলক ও সেবামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে যাচ্ছেন। তার মত এত জনপ্রিয় মহিলা কাউন্সিলর পৌরসভার মধ্যে হাতেগোনা দুএকজন রয়েছে। অর্থাৎ ৭,৮,৯ ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর রুমা খাঁন ও ৪,৫,৬এর ডলি খাতুন।
এমনও দিনে গভীর রাতে ডলি খতুনের কাছে সংবাদ এসছে কোন এক পরিবারের বিপদ। সাথে সাথেই তিনি সময় বা গভীর রাত চিন্তা না করেই, সেই গভীর রাতেই ছুটে গেছেন সেই বিপদগ্রস্ত বাড়িতে। পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার সকল করণীয় আন্তরিকতার সাথে করেছেন। সেই পরিবার তার চরম দুঃসময়ের বন্ধু হিসাবে ডলি খাতুন কে কাছে পেয়ে মানসিকভাবে শক্তি ও স্বস্তি পেয়েছে। তখনি ওই পরিবারের ভালোবাসা বা অন্তরের গভীরে স্থান করে নিয়েছেন ডলি খাতুন। পাশাপাশি হয়েছেন পরিবারের একজন মেয়ে। একজন সদস্য। তিনবার বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওযার পরও তার মধ্যে কোন অহংকার বোধ বা তার মধ্যে কাউন্সিলর ভাব লক্ষ করা যায়নি। লোভ-লালসা, অর্থ কামায়ের ধান্দার পিছনে পিছনে ছোটেনি বলেই ৪,৫,৬ এর মানুষের কাছে ডলি খাতুন প্রিয ডলি খাতুন, ডলি হিসাবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছন। ভলি খাতুন মানেই সবার কাছে আস্থার নাম। লিখতে মানা নেই আসলে মানুষের কাছে সে একজন বিশ্বস্ত বন্ধু। সেজন্যই ভোট আসলেই অর্থহীন ডলি খাতুনের ভোটের মাঠে টাকা খরচ করতে হয না। ভোটাররাই প্রয়োজনীয খরচটুকু করে থাকে। এমন বিরল ভালোবাসা এই সমাজে কতজন নারী অর্জন করতে পেরেছে তা সত্যিই অজানা। তিনটি ওয়ার্ডে বিধবা ভাতা ১৫০জন, বযস্ক ভাতা ১৫০জন, প্রতিবন্ধী ভাতা ৪০জন, স্বামী পরিত্যক্তা ভাতা ১৫জন, মাতৃভাতা প্রায ৪০০ জনকে কার্ড প্রদান করেছেন।
৪,৫,৬এর জনপ্রিয় মহিলা কাউন্সিলর ভলি খাতুন বলেন, ছলোনা বা কৃত্রিম ভালোবাসা দিয়ে দীর্ঘ সময় টিকে থাকা যায়না। আমি আমার সিমাব্ধতার কথা জানি। তাই যেটুকু আছে সেটুকু কাজে লাগানোর চেষ্টা করি। মানুষ খাবার চায় না, চায় ভালোবাসা। প্রয়োজনে, অপ্রয়োজনে কাছে পাওয়া এটুকুই। এইটা যদি দিতে না পারি তাহলে আমি কিসের জনপ্রতিনিধি আর কিসের আপন জন। কেনইবা আমাকে ভোট দিবে।

Post a Comment

0 Comments