মালেয়শিয়ায় চাইনিজ খাওয়ার অভিজ্ঞতা ঃ ষষ্ঠ পর্ব


জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল 
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক চেতনায় কুষ্টিয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল, সহ-সভাপতি ও দৈনিক প্রবাহ প্রতিনিধি আনোয়ার পারভেজ শান্ত ও সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি প্রদীপ সরকার ১২ দিন মালেয়শিয়া ও থাইল্যান্ড সফর। 
ষষ্ঠ পর্ব।

তারিখ ১৯/০৮/১৯ ইং।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক চেতনায় কুষ্টিয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল, সহ-সভাপতি ও দৈনিক প্রবাহ প্রতিনিধি আনোয়ার পারভেজ শান্ত ও সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি প্রদীপ সরকার যেখানে অবস্থান করছি সেখানে হাজির আনোয়ার পারভেজ শান্ত এর শ্যালক মিঠুন।  মিঠুন তার রুম পার্টনার ৮০ বছরের বৃদ্ধ এর নিজস্ব কার গাড়ীতে  আমাদের এখানে আসে। আমরা সবাই তাদের গাড়ীতে করে ভেড়ামারার ছেলে অর্ক আমন্ত্রনে তার ওখানে যায়। অর্ক এর পার্টনার দৌলতপুরের ছেলে রতন সাথে আমাদের পরিচয় করে দেয়।

আমাদের কে মালেয়শিয়ার চাইনিজ খাওয়ার প্রস্তাব দেয়। তাদের আমন্ত্রনে আমরা চাইনিজ খাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি ঠিক সেময় সময় আমাদের সামনে খাওয়ার চলে আসে। আমরা তিন জন এবং শান্ত এর শ্যালক ও মুরুবিসহ অর্ক ও রতন। ইচ্ছা থাকা সত্বেও আমরা চাইনিজ এর সব খাওয়ার খেতে পারলাম না। আমরা ভাত ও গরু নিহারী গেলাম। প্রদীপ হিন্দু হওয়ায় সে আর নিহারী খেলোনা। 

অর্ক ও রতন ঐ দেশে থাকায় তারা ঠিকই চাইনিজ খেলো। খাওয়া দাওয়া শেষে আমরা ফিরে আসলাম আমাদের গন্তব্যস্থলে। আমরা রেষ্ট নেওয়ার পর শুরু হলো আমাদের যাত্রা। মালেয়শিয়ার শহর থেকে প্রায় ৫ শত কিলোমিটার দুরে সমুদ্র সৈকত লাংকাউয়ের উদ্দেশে রওনা হলাম। ৮০ বছরের বৃদ্ধ তার নিজের গাড়ীতে আমাদের নিয়ে হাজির হলো সমুদ্র সৈকত লাংকাউয়ে যাওয়ার আগে লঞ্চ ঘাটে। ৮০ বছরের বৃদ্ধ চলাচল করতে নাও পারলে সে কিন্ত সুন্দর গাড়ী চলাতে পারে। লঞ্চ ঘাট এলাকায় তাকে আমরা একটি হোটেলে রেখে লঞ্চ এ করে সমুদ্র সৈকত লাংকাউয়ের উদ্দেশে রওনা হয়। ২ ঘন্টা লঞ্চে যাওয়ার পর আমরা পৌঁছায় সমুদ্র সৈকত লাংকাউয়ে। 

লাংকাউয়ের লঞ্চ ঘাট থেকে আমরা গাড়িতে করে একটি হোটেলে যায়। হোটেলে রুম বুক দেওয়ার সময় ভেড়ামারার সন্তান ও ম্যানেজার শামীম বলে সাংবাদিক (জুয়েল) সাহেব আপনাকে আমি চিনি। আপনার বাড়ির সামনে আমার মামা ফিরোজের স্টীলের দোকান ছিলো। 

ফিরোজ মামা ও আমার ভগ্নিপতি বেচেঁ থাকা অবস্থায় প্রায় ৭ বছর ছিলাম আপনার এলাকায় ছিলাম। তার পর আমি মালেয়শিয়ায় চলে আসি।  তার সহযোগিতয়া আমরা রুম বরাদ্দ পেলাম। সে জানান ভেড়ামারার একজন তার পরিবার নিয়ে এখানে এসেছে। তারপর দেখা হলো ভেড়ামারার গোডাউন মোড় এলাকার শরিফুল ইসলাম শরিফ। শরিফের সাথে দেখা হওযায়  আমাদের লোকবল বেড়ে গেলো। সে তার স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে এসেছে। চলবে।  

Post a Comment

0 Comments