১হাজার ফুট উচুতে মালেয়শিয়ার বাতুক্যাব মন্দির ঃ পঞ্চম পর্ব


জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক চেতনায় কুষ্টিয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল, সহ-সভাপতি ও দৈনিক প্রবাহ প্রতিনিধি আনোয়ার পারভেজ শান্ত ও সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি প্রদীপ সরকার ১২ দিন মালেয়শিয়া ও থাইল্যান্ড সফর। 
পঞ্চম পর্ব।
তারিখ ১৮/০৮/১৯ ইং।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক চেতনায় কুষ্টিয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল, সহ-সভাপতি ও দৈনিক প্রবাহ প্রতিনিধি আনোয়ার পারভেজ শান্ত ও সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি প্রদীপ সরকার দুপুরে মালেয়শিয়ার বাসায় অবস্থান করার সময় ভেড়ামারার ছেলে পলাশ হাজির। 

সে তার নিজস্ব গাড়ীতে করে মালেয়শিয়ার বাতুক্যাব মন্দিরের উদ্দেশে রওনা হয়। বাতুক্যাব মন্দিরের সামনে গাড়ী রাখার কোন পাকিং এর জায়গায় গাড়ী রাখা জায়গা না থাকায় ওভার ব্রীজের নিচে গাড়ী রাখা হয়। বাতুক্যাব মন্দিরে ঢোকার সময় চোখে পড়ে সুন্দর একটি গেট। 

গেটটি পার হওয়ার পর চোখে পড়ে একটি বড় বৌদ্ধ মূর্তি। বাতুক্যাব মন্দির টি উচু পাহাড়ের উপরে। এলাকাবাসী জানান পাহাড়ের ভিতরে অনেক বছর আগে এই মন্দিরটি একাএকি ভাবে তৈরি হয়েছে। যার উচ্চতা প্রায় ৩ হাজার ফুট। এই মন্দিরে উঠার জন্য কতৃপক্ষ ও সরকার সিড়ি তৈরি করে দিয়েছে। এই মন্দিরে মেয়েরা ছোট পোশাক পড়ে উপরে উঠতে পারবে না। 

উচুঁতে মন্দির হওয়ায় বেশির ভাগ মানুষ উপরে উঠতে ভয় পাই। বাতুক্যাব মন্দির সম্পন্ন পাহাড়ের ভিতরে। মন্দিরের উপরে পাথরের ছাঁদ দিয়ে ঢেকা। বেশ কয়েক জায়গায় পাথরের ছাঁদে ফুটা রয়েছে। সেখান থেকে দেখা দেখা যায় সুর্ষের রস্মি বা বৃষ্টি হলে পানি পড়ে। তাছাড়া মন্দিরের উপরটি পাথর দিয়ে ঢাকা রয়েছে। মন্দিরের ভিতরে বেড়ানো শেষে নিচে নামার সময় হঠাৎ মেঘ চোখে পড়ে। 

বৃষ্টি হবে বলে আমাদের কে দ্রæত নামার জন্য বা উপরের উঠার জন্য পরামার্শ দেয়। আমরা নিচে নেমে পড়ি। নিচে নামার পর আমরা গাড়ীতে উঠার সময় প্রচন্ড বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টির মধ্যে আমরা গাড়িতে উঠে রওনা দিই। এরপর মালেয়শিয়ার সবচেয়ে বড় বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে রাজবাড়ির ছেলে অপূর্ব চক্রবর্তী। তার সাথে আড্ডা দেওয়ার পর আমরা আবার রওনা দেয়। রওনা হওয়ার পর মালেয়শিয়ার সেনাবাহিনী দপ্তরের মসজিদে আমরা ২ জন মাগরিবের নামাজ আদায় করি। মাগরিবরে নামাজ শেষ করে আমরা আবার রওনা দেই। 

আমাদের জন্য একজন অপেক্ষা করছে। আমরা যেখানে থাকি তার নিচে একটি হোটেলে। সে কারণে আমাদের গাড়ী দ্রæত ঘন্টায় ১৩০ মিটার গতিবেগে গাড়ী চলতে থাকে। কিছুদুর আসার পর আইল্যান্ডের সাথে আমাদের গাড়িটি প্রচন্ড জোড়ে ধাক্কা লাগে। গাড়ীটির সামনে বেশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়। আল্লাহর রহমতে আমাদের ৪ জনের একটু ক্ষতি হয়নি। আল্লার কাছে হাজার শোকরিয়া আদায় করি আমাদের কোন ক্ষতি হয়নি। গাড়ীটি রাস্তার এক সাইডে রাখা হয়। কিছুক্ষন পর অপূর্ব চক্রবর্তী তার গাড়ী নিয়ে আমাদের কাছে পোঁছায়। তার পর ২টা গাড়িতে করে আমরা বাড়িতে চলে আসি। চলবে।

Post a Comment

0 Comments