কুমারখালী তে আমন ধানের ভালো ফলন। ন্যায্যমূল্যে র' আশায় কৃষকরা

মোশাররফ হোসেন কুমারখালী। কুমারখালী তে ১৩ হাজার ৭শ'৭০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৮৯ হাজার ৯ শ ৫ মেট্রিকটন। উপজেলায় চলতি মৌসুমে আমন ধানের চাষ ভালো হয়েছে । আবহাওয়া কিছুটা অনুকূল থাকায় ধান গাছ  ভালো  অবস্থায় রয়েছে বলে জানান কৃষকরা । এবার আবহাওয়ার কোন ব্যতিক্রম না ঘটলে ফলন ভালো হবে বলে তারা মনে করেছেন । তবে ধান চাষে  খরচ বেশি হওয়ায় ধানের ন্যায্যমূল্য মূল্য আশা করেছেন ধান চাষিরা।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য মতে জানা গেছে চলতি আমন মৌসুমে উপজেলায় ১৩ হাজার ৭শ ৭০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে । তবে কয়েক বার বন্যার কারণে ১০০ হেক্টর জমিতে ধান বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছিল । ফলে বন্যার পানি সরে গেলে  জমির ধান ভালো থাকলে উৎপাদন ভালো হবে বলে মনে করেন কৃষকরা । তবে তুলনা মূলক ভাবে গত বছর থেকে এবারের ধান গাছের অবস্থা ভালো রয়েছে । এ পর্যন্ত উপজেলার কোন এলাকার জমির ধান গাছে তেমন কোন প্রকার রোগ বালাই দেখা যায়নি । এমতাবস্থায় থাকলে একবারে উপজেলায় প্রায় ৮৯ হাজার ৯শ ৫ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে এবং উক্ত ধান থেকে ৫৯ হাজার ৬শ৭০ মেট্রিক টন চাউল অর্জিত হবে এমন আশা করছে উপজেলার কৃষি অধিদপ্তর।
উপজেলার যদুবয়রা গ্রামের কৃষক ফারুক হোসেন, কেশবপুর গ্রামের কৃষক আবু সায়েম, জোতমোড় গ্রামের কৃষক জাহিদ হোসেন জানান, এবছর আবহাওয়া কিছুটা ভালো থাকার কারণে রোপন কৃত আমন ধান গাছ সুন্দর ও সতেজ রয়েছে । কিছু দিনের মধ্যে ধান শীর্ষ বের হবে । কিছু এলাকায় পোকা মাকড় থাকলে ও বর্তমান অবস্থা সেগুলো আর নেই ।শেষ পর্যন্ত এমন অবস্থা থাকলে ধানের ফলন ভালো হবে বলে তারা মনে করেছেন। 
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ দেবাশীষ কুমার দাস জানান, এ পর্যন্ত রোপন কৃত আমন ধানে কোন রোগ বালাই আক্রমণ করেছে বলে খবর পাওয়া যায়নি ।তবে কিছু এলাকায় সমস্যা থাকলেও আমরা সার্বক্ষণিক কৃষকদের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।তবে আমিও বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছি ধান গাছের অবস্থা ভাল রয়েছ । এরকম থাকলে ভালো ফলন হবে । এতে আমরা আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারব বলে আশা করি ।

Post a Comment

0 Comments