ধুবইল ইউনিয়নের জনতার প্রাণের নেতা মিজানুর রহমান

চেতনায় কুষ্টিয়া প্রতিবেদক \ দলের ত্যাগী ও সৎ সাহসী নেতৃত্বগুণে বিকশীত হয়ে এবং হামলা মামলার অঙ্গাকারে খাঁটি সোনা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারনকারী এক সময়ের কিশোর ছাত্রনেতা মিজান আজ মিজানুর রহমান মিজান একজন পরিপূর্ণ সফল রাজনৈতিক জননেতা। দীর্ঘ পথ রাজনীতির ময়দানে পাড়ি দিয়ে তিনি এখন নব-গঠিত ধুবইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদকের মত গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগ্যতা বলেই অধিষ্ঠিত হয়েছেন। তার নেতৃত্বগুণে বিএনপি’র দুর্গখ্যাত এই ইউনিয়নের তৃণমূল পর্যায়ের আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীর সংখ্যা বিপুল পরিমানে বৃদ্ধি পেয়েছে। দল পেয়েছে সাধারন মানুষের অফুরন্ত ভালোবাসা ও সমর্থন। দীর্ঘদিন পর গত ইউপি নির্বাচনে প্রথমবারের মতো আওয়ামীলীগের প্রার্থী বিপুল ভোটে জয় লাভ করে। আর এসবের পিছনে সুদক্ষ্য নিপূন কারিগরের ভূমিকা পালনকারী ব্যক্তিই হচ্ছেন নিরঅহংকারী মিজানুর রহমান মিজান। ত্যাগী এবং উদার মন মানসিকতা ও সৎ চরিত্রের কারনে ধুবইল ইউনিয়নে এখন শান্তির সুবাতাস বইছে। অত্র ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি না হয়েও জনপ্রিয় জননেতা হিসাবে সবার কাছে তার গ্রহনযোগ্যতা অসীম। সে সৎ, সাহসী ও আপোষহীন নেতৃত্বগুণের ধারক বাহক হওয়ায় ধুবইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা তাকে প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক হিসাবে মনোনীত করেন। এখন পর্যন্ত তিনি সাধারন সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব সুন্দর ও সুশৃঙ্খল ভাবে পালন করে যাচ্ছেন। এছাড়াও তিনি একজন বিদ্যানুরাগী বরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪বারের সভাপতির দায়িত্ব সুনামের সাথে পালন করে আসছেন। ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসাহ যোগাতে ও ভালো ফলাফল করতে তিনি ব্যবস্থা করেছেন যোগ্যতার পুরুস্কারের।
সংগ্রামী সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান নবগঠিত ধুবইল ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম নির্বাচনে অংশগ্রহন করে মাত্র ৪১৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। বিএনপি’র দূর্গোখ্যাত ঐ ইউনিয়নে ২হাজার ৭শ ভোট পান। এটা দলের জন্য সে সময় ব্যাপক সাড়া ফেলে। যা বড় সাফল্য হিসাবে ধরা যায়। পরবর্তীতে আওয়ামীলীগ সংগঠন জনতার মনে স্থায়ী বিকাশ লাভ করে। ইউনিয়ন জুড়ে ব্যাপক প্রচার প্রচারনা ও উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের ফলে বর্তমানে আওয়ামীলীগের দূর্গো হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে। কিন্তু মিজানুর রহমান মিজান’র পরিশ্রমের ফসল মিজান নিতে পারেনি। পরবর্তী নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সূবর্ণ সুযোগ থাকা সত্তে¡ও পরবর্তীতে তাকে দল মনোনয়ন থেকে বিরত রাখে। ফলে নির্বাচনে আওয়ামীলীগেরই অন্য প্রার্থী বিপুল ভোটে জয় লাভ করে। অথচ মিজানের পরিশ্রমের ফলাফল হচ্ছে এই নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করার পিছনের কারিগর। তারপরও হাস্যজ্জল, মিষ্টভাসী ও উদার মন মানসিকতা এবং ত্যাগী দলের জন্য আতœপ্রাণ বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক এটাকে স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিয়েই এখনও দলের জন্য নিবেদীত প্রাণ। মনোনয়ন বঞ্চিত হলেও তিনি জনতার অঘোষিত জনপ্রতিনিধি, তাই এলাকার জনগণের ভালোবাসায় তাকে সে মর্যাদার আসনে তিনি এখনও রয়েছে। তাদের পাশে থেকে তাদের খেদমতে দলের হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন এককালের সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা ও বহু হামলা মামলার স্বীকার, দলের পরীক্ষিত বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মী মিজানুর রহমান মিজান।
তিনি ৮ম শ্রেনীতে অধ্যায়নকালীন সময়ে ১৯৮৮সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগে যোগদানের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করেন। এসময় তিনি ঐ বয়সেই ৫টি রাজনৈতিক মামলার স্বীকার হন। এরপর ১৯৯২সালে বাংলাদেশ আওয়ামী ছাত্রলীগ ভেড়ামারা উপজেলা কমিটির ০৪নং সদস্য হিসাবে মনোনীত হন। ১৯৯৩সালে পৌর ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৭সালে ভেড়ামারা কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব গ্রহন করেন। পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবে দলের দায়িত্ব পান। ২০০৩সালে পৌর সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি হিসাবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর মিরপুর উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়ন ভেঙ্গে ধুবইল ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হলে, ২০১১সালে ধুবইল ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম আহবায়ক হিসাবে মনোনীত হয়। পরবর্তীতে ২০১২ সালে ধুবইল ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হন। এ যাবৎ ৪বার সাধারন সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন। এছাড়াও বরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পর পর ৪বার সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি মিজান মোড়ের বণিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
বিশ^ব্যাপী মহামারী করোনাকালীন সময়ে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলো বেশি ভুৃগেছে। সে অঞ্চলের কিছু বিচক্ষন ব্যক্তি সরকারে ত্রাণ তহবিলের দিকে না তাকিয়ে জনগণে পাশে দাড়িয়েছে। তাদেরই একজন ত্যাগী আওয়ামী সংগঠনের আন্তঃপ্রাণ কর্মী স্থানীয় ভাবে দলের কান্ডারী মিজানুর রহমান মিজান নিজ উদ্দ্যোগেই ব্যক্তিগত ভাবে নিজ অর্থায়নে মানুষের পাশে দাড়ানোর চেষ্টা করেছেন। তিনি কিশোর বয়স থেকেই অসহায় মানুষের পাশে থাকা একটা অদ্ভুত গুণ। ২৫০টি অসহায় ও দুঃস্থ্য পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়াও করোনা মোকাবেলায় সামাজিক ভাবে সচেতনতা বৃদ্ধিতে এলাকার মানুষকে সাথে নিয়ে কাজ করেছেন। এছাড়াও তিনি ইতিপূর্বে সাধারন মানুষের দূর্দশা লাঘবে ১০টি টিউবওয়ের স্থাপন করে দিয়েছেন ব্যক্তি উদ্দ্যোগে। বরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ প্রায় ১কিলোমিটার রাস্তাটি সেমিপাকা করে দিয়েছেন। রাস্তার পাশ দিয়ে ঐ স্কুলের পতিত জমিতে নিজ উদ্দ্যোগে বৃক্ষ রোপন করেছেন। সভাপতির দায়িত্বের শুরু থেকে ঐ স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের নিজ অর্থায়নে ২শত টাকার প্রাইজবন্ড পুরুস্কার দিয়ে আসছেন ১৫জনকে। এভাবেই ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষার উৎসাহ দিয়ে আসছেন। এই মহৎ কাজের জন্য এলাকায় বেশ প্রসংশনীয়।
ধুবইল ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চ এর ভাষণ শুনে অনুপ্রাণিত হয়ে আওয়ামী রাজনীতিতে যোগ দিয়েছি। মানুষের কল্যানে বা জনগণের খেদমতের জন্যই আমার রাজনীতিতে আসা। জনগণের আশা আকাংখার বিষয়টি মাথায় রেখেই নেতাদের পথ নির্দেশনা অনুসরণ করেই আমি ভবিষ্যতে সামনে অগ্রসর হব। আগামীতে গনমানুষ ও আমার নেতা কুষ্টিয়ার উন্নয়নের রূপকার, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের সাংসদ জনাব মাহবুব-উল-আলম হানিফ এমপি মহোদয় আমাকে মনোনীত করলে আমি নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে প্রস্তুত রয়েছি। সেভাবেই জনগণের মাঝে আমার রাজনৈতিক তৎপরতা ও সেবামূলক কাজ অব্যাহত রেখেছি। বাংলাদেশের বৃহৎ ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগের বহু নেতা কর্মীর মাঝে কিছু নেতাকর্মীর নেতৃত্ব গুণেই আজ বহু আন্দোলনের সফলতা পেয়েছে। বহু পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। শুধুমাত্র ত্যাগী ও সাহসী, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক, প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নেতৃত্বের উপর আস্থা রাখা এই সুর্য্য সন্তানরা দুঃসময়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়, সুসময়ে পিছন থেকে নেৃতত্ব দেয়, দলের ভালোবাসা থেকেই জনসেবায় তাদের একমাত্র উপলক্ষ্য, এমন কর্মীদের কারনেই দলের প্রশসংনীয় সব কাজের মধ্যে থাকলেও তারা পদ পদবীর বাইরে থাকলেও তারা সন্তুষ্ট। এমনই একজন ধুবইল ইউনিয়নের জনমানুষের নেতা, মিশুক, মিষ্ঠভাসী, হাস্যজ্জল চেহারা মিজানুর রহমান মিজান ভাই। ধুবইল ইউনিয়নের স্থানীয় জনগণ তার নামেই একটি মোড়ের নাম করণ করেছে মিজন মোড়। এটি একটি ভালোবাসার উজ্জল দৃষ্টান্ত। স্থানীয় নেতাকর্মী ও আওয়ামীলীগের সমর্থনদানকারী জনগণ  মনে করে তাদের প্রিয় ও পরিবারের মানুষ হিসাবে যে নেতাকে কাছে পায় সে হলো মিজান। তাকে আগামীতে দল যদি তৃণমূলকর্মী ও জনভিত্তির উপর বিচার বিশ্লেষণ করে মুল্যায়ন করে তবে সেদিক দিয়ে মিজানুর রহমান মিজান ভাই এগিয়ে থাকবে। স্থানীয় জনগণ ও নেতাকর্মীরা এবং তারা আগামীতে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে তাদের প্রিয় নেতা মিজানুর রহমান মিজানকে দেখতে চায়।

Post a Comment

0 Comments