ভেড়ামারা আওয়ামীলীগের শেকড়খ্যাত জননেতা কুব্বাত পরিবারের যোগ্য উত্তরসূরি তারিক’র আগমনী বার্তা

চেতনায় কুষ্টিয়া প্রতিবেদক \ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও উন্নয়নের দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ত্যাগী, সাহসী ও দলের জন্য নিবেদীতপ্রাণ কর্মী ও নেতার সংখ্যা অগণিত। যারা কোন নেতার আর্শিবাদ বা দেখানো আদর্শে তৈরী হয়নি। তারা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’র আদর্শে বলিয়ান। এরা পদ-পদবী বা কোন আশায় আওয়ামীলীগ করে না। এমন কর্মীর সংখ্যাও অগণিত। দূর্ভাগ্য বর্তমান সমাজের প্রেক্ষাপটে এসব কর্মীদেরকে খালি চোখে খুঁজে পাওয়া দূষ্কর। তবে বাংলাদশের উন্নয়নের রূপকার ও বিচক্ষণ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঠিকই সারা দেশ থেকে তাদেরকে খুঁজে বের করে তাদের ত্যাগ ও যোগ্যতার জন্য পুরুস্কৃত করেছেন এবং করে যাচ্ছেন।
এমনই একজন জননেতা ভেড়ামারা উপজেলা আওয়ামীলীগকে গণমানুষের প্রিয় দল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার পিছনে যার অবদান সব চাইতে বেশি। যার শ্রম ও মেধা দিয়ে আওয়ামীলীগকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিয়েছেন, তিনি সারা জীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন অকুতভয় সৈনিক হিসাবে কাজ করে গেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সামনের সাড়ির একজন যোদ্ধা, জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তানদের একজন, ভেড়ামারা উপজেলা আওয়ামীলীগের শেকড়খ্যাত, জনপ্রিয়, ত্যাগী জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা, তিনি হচ্ছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক শফিউল ইসলাম কুব্বাত।
তিনি ১৯৭৫সাল থেকে ২০০৭সাল পর্যন্ত একটানা ভেড়ামারা উপজেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক হিসাবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। যা সমগ্র বাংলাদেশেই এমন ঘটনা বিরল। তিনি ঐ সময়কালে কর্মীদের এতোটাই প্রিয় ও আস্থাভাজন ছিলেন, তার বিকল্প, তাকে ছাড়া অন্য কাউকে ভাবনার জগতেই নিয়ে আসেনি। তার দলীয় কর্মকান্ড বঙ্গবন্ধুর আদর্শের আকুতভয় সৈনিক এবং আওয়ামী পরিবারের একজন যোদ্ধা হওয়ায় আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১সালে দেশে এসেই দলীয় কর্মসূচীর অংশ হিসাবে প্রথম ভেড়ামারায় আসেন এবং তার বাসায় উঠেন। ৩দিন তার বাসায় অবস্থান করে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচীসহ জনতার সাথে গণসংযোগের এক বিরল নজির স্থাপন করেন। সেই ত্যাগী পরীক্ষিত পরিবারের এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের শেকড়খ্যাত জননেতা কুব্বাত বয়সের ভারে ন্যুজ, কিন্তু আওয়ামীলীগের ধ্যান, জ্ঞান ও রক্তে যে পরিবারে আওয়ামীলীগের ¯েøাগান ধ্বনিত হয় সেই পরিবারের মুজিব আর্দশের প্রজন্ম সৃষ্টি হবে এটাই চরম সত্য ও বাস্তবতা। বাস্তবতার প্রমাণ দিয়েছে পরিবারের যোগ্য উত্তরসূরি তার কনিষ্ঠ সন্তান পদ-পদবীর বাইরে থেকেও আওয়ামীলীগের আতœপ্রাণ একজন কর্মী হিসাবে নিজেকে প্রমাণ করে।
১৯৯৪-৯৫’র গণ আন্দোলনের অকুতভয় এক সাহসী সৈনিক, বহু হামলা-মামলার স্বীকার এবং বর্তমানে জনসেবা ও সমাজসেবা মূলক কাজের ধারাবাহিকতার একটি উজ্জল তারকা আলহাজ¦ তারিকুজ্জামান তারিক হতে পারেন ভেড়ামারাবাসীর প্রিয় নেতা হিসাবে আগমনী বার্তা। অনেকেই প্রকাশ্যে দল না করেও আওয়ামীলীগের জন্য আতœপ্রাণ ও ভালোবাসা ও সমর্থন দেওয়া বহু সাধারন মানুষ চাচ্ছে আওয়ামীলীগের কুব্বাত পরিবারে রাজনৈতিক ঐতিহ্য বহনে তার পরিবার থেকে উঠে আসুক একজন উত্তরসূরি, আর যোগ্য উত্তরসূরি হিসাবেই আলহাজ¦ তারিকুজ্জামান তারিকের বিকল্প নেই, বইছে তার আগমণি বার্তা। বিচক্ষন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের দলীয় সভানেত্রী দলের এমন আতœপ্রাণ ও ত্যাগী অনেক নেতাদের পরিবার থেকে নিয়ে তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে দলে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জায়গা করে দিয়েছেন এবং দিচ্ছেন। বাঁকি রয়েছে শুধু ভেড়ামারার আওয়ামীলীগের শেকড়খ্যাত ঐতিহ্য রাজনৈতিক কুব্বাত পরিবার। এখন শুধুমাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের সময়ের অপেক্ষা। এটা হলে হবে পরীক্ষিত নেতার স্বপ্নের পুরুস্কার।
আলহাজ¦ তারিকুজ্জামান তারিক উপজেলা আওয়ামী সংগঠনের অন্যতম একজন কর্মী হিসাবে ১৯৮৮ সালে ৯ম শ্রেণীতে পড়ুয়া অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর সংঘের সদস্য হন। এরপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’র আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ও জন্মদাতা পিতা জননেতা মুক্তিযোদ্ধা শফিউল ইসলাম কুব্বাত’র হাত ধরে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ছাত্র সংগঠনের রাজনীতির সংস্পর্শে আসেন। পরবর্তীতে সে ১৯৯১ সালে কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হয়। বর্তমানে তার কোন পদ-পদবী না থাকলেও ভেড়ামারা পৌর আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য। তিনি দলীয় পদ পদবীর দিকে না ঝুঁকে জননেতার ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।
বঙ্গবন্ধু বলতেন, জনসেবার মধ্যেই জননেতার পরিচয়। ঠিক এই কথাটির উপর দাড়িয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধারাবাহিকভাবে জনসেবায় সম্পৃক্ত রয়েছেন। বর্তমানে দায়িত্বপালন করছেন আলোড়ণ সৃষ্টিকারী সামাজিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন মানুষের পাশে দাড়ানোই যাদের মূল উদ্দেশ্য “ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতি’র” যুগ্ম মহাসচিব হিসাবে। এছাড়াও তিনি নর্থ সাউথ এসোসিয়েশনের সভাপতি। আছেন মেধাবী ফাউন্ডেশনের সদস্য ও ভেড়ামারা প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য হিসাবে। এছাড়াও তার একান্ত ব্যক্তিগত সেবা মূলক কল্যাণফান্ড থেকে নিয়মিত ভাবে অসহায় ও দুঃস্থ্য মানুষকে সেবা সহায়তা দান অব্যাহত রেখে আসছেন। সাধারন মানুষের সাথে রয়েছে তার গভীর আত্মার সম্পর্ক। নিয়মিত নেন তাদের পারিবারিক খোঁজখবর। আপদ-বিপদে ছুটে যান তাদের মাঝে। ভেড়ামারাতে জননেতা কুব্বাত পরিবারের সন্তান হিসাবেই শুধু পরিচিতি লাভ করেনি, নিজ গুণে গুন্নানিত হয়ে জনতার মাঝে তার আলাদা পরিচিতি ছড়িয়ে পড়েছে। দল ক্ষমতায় থাকলেও প্রভাব বিস্তারের মানুসিকতা থেকে আলহাজ¦ তারিকুজ্জামান তারিক অনেক দুরে। পদ পদবীর লড়াইয়ে দেখা যায়নি তাকে নোংড়া রাজনীতির ময়দানে।
রাজনীতিতে তার সংক্ষিপ্ত বিবরণীঃ ১৯৮৮ সালে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর সংঘের সদস্য, ১৯৯১ সালে কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন, ১৯৯৪-৯৫সালে গণ আন্দোলনে তুখোড় ছাত্রনেতা হিসাবে ভূমিকা পালন। এসময় ১৪টি মামলা ও হামলার স্বীকার হন এবং দীর্ঘ সময় বাড়ি ছাড়া হন। ১৯৯৪-৯৫ সালে ইসলামী বিশ^াবিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া মেধাবী ছাত্র তারিকুজ্জামান তারিক সেখানে জামাত-শিবির কর্তৃক কয়েকদফা হামলার স্বীকার হয়েছে। সে সময়ে পরীক্ষার শেষের দিন পরীক্ষার নির্দ্ধারিত সময়ের ১ঘন্টা আগে খাতা জমা দিয়ে চলে আসতে পারায় সেদিন ঘটেনি কোন অঘটন। অথচ সেদিন হত্যার মিশন নিয়েই জামাত-শিবির চক্র প্রস্তুত ছিল। ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ে আন্দোলনের প্রাণ ফিরিয়ে আনতে ভেড়ামারা ছাত্রলীগ কর্মীদের মাইক্রোযোগে নিয়ে গিয়ে সেখানে অনেক কর্মসূচী সফল করেছেন। ছাত্র রাজনীতির অঙ্গনে পদ পদবীতে না থেকেও তার নেতৃত্ব গুনে ছাত্রলীগ সংগঠনটি বিকশিত ও সফল আন্দোলনের ময়দানে অবস্থান করেছেন সব সময়।
বিশ^ব্যাপী মহামারী করোনাকালীন চড়ম দুঃসময়ে যে গুটি কয়েক জনদরদী ও জনসেবক মানুষ, অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাদের মধ্যে আলহাজ¦ তারিকুজ্জামান তারিক একজন। তিনি প্রথমেই দ্রæত ব্যক্তিগত উদ্যোগ নিয়ে অতি দুঃস্থ্য ও অসহায় ১৫০টি পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। প্রয়োজনে ব্যক্তি বিশেষে নগদ অর্থ দিয়ে সহযোগীতা করেন। এরপর তার ফাউন্ডেশন ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতি’র কাছে ভেড়ামারার দুঃস্থদের একটি তালিকা তৈরি করে পাঠান। যে তালিকাটি ছিল সত্যিকার অর্থেই দুঃস্থ্যদের তালিকা এবং ত্রাণ বিতরণেও ছিল ব্যাপক স্বচ্ছতা। ত্রাণে দেওয়া খাবার সামগ্রীর মানও ছিল উচু মানের এবং বাস্তব চাহিদা সম্পন্ন। এই গুলো সম্ভব হয়েছে তার সেবার ভাবনা থেকে ও বিচক্ষন্নতার পরিচয়ের মাধ্যমে।
তিনি প্রথমেই যে উদ্যোগ গ্রহন করেন, মানুষকে করোনা ভাইরাসের থাবা থেকে রক্ষার জন্য মাস্ক প্রয়োজন। সে সময় বাজারে একেকটি মাস্ক এর দাম সর্বনি¤œ ৫০টাকা। এমতাবস্থায় অনেক উদ্বিগ্ন মানুষ খাবার না মাস্ক কিনবে এই দুটানায় মাস্কের ব্যবহার তলানীতে গিয়ে পৌছে। এমন সময় ৫হাজার মাস্ক বিতরণ করা হয়। পরবর্তীতে ভেড়ামারা সমিতির নামযুক্ত মাস্ক মানুষের মুখে মুখে দেখা গেছে। যা করোনা মোকাবেলায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসাবে ধরা হয়। এর পরেই সবাইকে সচেতন করে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করা হয়। এছাড়াও অসহায় দুঃস্থদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। সর্ব শেষে করোনায় মৃত্যুবরণ কারী মানুষের দাফন-কাফন ও সৎকারে কমিটি গঠন করে তাদের সুরক্ষার সরঞ্জামসহ লাশ বহনে ভ্যান, কোদাল, শাবল, পিপিই ও খাটিয়ার ব্যবস্থা করেন। আর এসবই করোনাকালীন সময়ে সামনের সারীতে অবস্থান নিয়ে মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। এছাড়াও তিনি প্রতি শীত মৌসুমে শীতার্তদের জন্য কম্বল বিতরণ করেন।
আলহাজ¦ তারিকুজ্জামান তারিক বলেন, নিঃসন্দেহে আমার পিতা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ত্যাগী, সাহসী ও দলের জন্য আতœ নিবেদীতপ্রাণ একজন কর্মী ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শীত হয়ে আওয়ামীলীগের সাথে সম্পৃক্ত। আমার পরিবার আওয়ামী পরিবার। আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসাবে জনগণের সেবায় নিবেদীত থাকার চেষ্টা জন্য জনগণের কল্যাণে কাজ করেছি এবং এখনও করে যাচ্ছি। বিগত দিনে আওয়ামী পরিবার হওয়ায় ও নেতৃত্ব দেওয়ায় বিএনপি’র সন্ত্রাসীরা টার্গেট করে আমাদের বাড়িতে হামলা-মামলা ও ভাংচুর, নেতা কর্মীদের উপর অত্যাচার, মিথ্যা মামলা দায়ের হয়েছে, বাড়ি ছাড়া হয়েছি, সহ্য করতে হয়েছে অনেক যন্ত্রনা।
করোনাকালের সময় মানুষের পাশে দাড়ানোয় বিশেষ ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি ঢাকাস্থ সমিতির সকল নামী-বেনামী সদস্যদের। এই সমিতির ত্রাণ সুষ্ঠ ভাবে প্রকৃত দুঃস্থদের মাঝে পৌছে দিতে পেরেছি বলে আল্লাহর কাছে সন্তুষ্টি আদায় করছি। ব্যক্তিগত ভাবে যতটুকু পেরেছি ততটুকুই যতœসহকারে বিতরণ করেছি। রাজনৈতিক কর্ম পরিকল্পনায় কি রয়েছে জানতে চাইলে তিনি জানান, দল ও দলের নেতাকর্মীরা যদি আমাকে চায় এবং নির্বাচনের সুযোগ দেয় তাহলে আমি প্রস্তুত রয়েছি। পূর্ব থেকেই জনসম্পৃক্ততার মধ্যেই আমি ছিলাম এবং বর্তমানেও রয়েছি। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও আমাদের প্রিয় জননেতা কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারন সাধারন সম্পাদক ও কুষ্টিয়ার উন্নয়নের রূপকার জনাব মাহাবুব-উল-আলম হানিফ এমপি’র নেতৃত্বে দল বিকশীত হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলায় ব্যাপক উন্নয়ন মুলক কাজ হওয়ায় মানুষের আস্থা ও দৃঢ় বিশ^াস এখন আওয়ামীলীগের উপর। সে কারনেই নির্বাচনে আমার ব্যক্তিত্ব ও বিতর্কমুক্ত থাকায় এবং দলের উন্নয়নের সাফল্য নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া আমার পক্ষে সহজেই সম্ভব হবে।
ভেড়ামারার রাজনৈতিক ভাবে সচেতন মানুষ ও দলের ত্যাগী পোড়খাওয়া নেতাকর্মী এবং সব সময়ের জন্য আওয়ামীলীগকে সমর্থন করে যাওয়া অগণিত জনতার চাওয়া ও আশা, ভেড়ামারা রাজনীতির অঙ্গনে যে গুটি কয়েক নেতা, দলের অবদান রেখেছে তাদের মধ্যে কিংবদন্তীতুল্য রাজনৈতিক ব্যক্তির মধ্যে একমাত্র জীবিত রাজনৈতিক কিংবদন্তী জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউল ইসলাম কুব্বাত এবং তার পরিবারকে মুল্যায়ন করার সময় এসেছে। কুষ্টিয়া জেলার এমন অনেককে মুল্যায়ন করে বিচক্ষন্নতা ও জনসমর্থনের প্রমাণ দিয়েছেন। সেরূপ আমাদের প্রত্যেকের প্রিয়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার গুড লিষ্টে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউল ইসলাম কুব্বাত পরিবার থেকে জননেতার আগমনীর বার্তা বাহক, দলের ঝান্ডা ধরে রাখার যোগ্য উত্তরসূরি আলহাজ¦ তারিকুজ্জামান তারিক এর নাম দেখতে চাই।

Post a Comment

0 Comments