মালেয়শিয়ার কেএলসি টাওয়ার ও একোয়ারিয়াম ঃ চতুর্থ পর্ব


জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল 
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক চেতনায় কুষ্টিয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল, সহ-সভাপতি ও দৈনিক প্রবাহ প্রতিনিধি আনোয়ার পারভেজ শান্ত ও সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি প্রদীপ সরকার ১২ দিন মালেয়শিয়া ও থাইল্যান্ড সফর। 
চতুর্থ পর্ব।
তারিখ ১৮/০৮/১৯ ইং।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক চেতনায় কুষ্টিয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল, সহ-সভাপতি ও দৈনিক প্রবাহ প্রতিনিধি আনোয়ার পারভেজ শান্ত ও সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি প্রদীপ সরকার মালেয়শিয়ার বাসায় অবস্থান করার সময় ভেড়ামারার ১৬ দাগ এলাকার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান সুখন হাজির। মোস্তাফিজুর রহমান সুখন তার নিজস্ব গাড়ীতে করে মালেয়শিয়ার কেএলসি টাওয়ারের নিয়ে যায়।  কেএলসি টাওয়ারের নিচে গাড়ী পাকিং করার পর বেড়ানো শুরু হয়। প্রথমে আমরা মালেয়শিয়ার কেএলসি টাওয়ারের নিচে একোয়ারিয়ামে ডোকার জন্য টিকিট কেটে ভিতরে প্রবেশ করি। একোয়ারিয়ামে ডোকার পর আমরা সবাই মুগ্ধ হয়। এখানে দেশীও বিদেশী বিভিন্ন রকম মাছসহ পানি ভিতরের যারা বসবাসরতদের এখানে রাখা হয়ে। বলে বা লিখে তা বর্ণনা করে যাবে না। আসলেই সুন্দর একটি একোয়ারিয়াম। 

একোয়ারিয়াম থেকে বের হয়ে আমরা কেএলসি টাওয়ারে ঘুরাঘুরি করতে থাকি। এসময় ভেড়ামারার মওলাহাসপুর এলাকার শহিদুল ইসলাম আমাদের কাছে জানতে চাই আমরা কোথাই। আমরা থাকে জানাই কেএলসি টাওয়ারের সামনে আছি।  শহিদুল ইসলাম ও তার এক বন্ধু আমাদের কাছে হাজির হয়। আমরা ৬ জন মিলে কেএলসি টাওয়ারের ভিতরের  মার্কেটসহ টাওয়ারে ঘুরাঘুরি করতে থাকি। কেএলসি টাওয়ারের পিছনে সবাই টাওয়ারের ছবি তুলে থাকে। আমরা টাওয়ারের পিছনে ছবি তোলার জন্য যাই। টাওয়ারের পিছনে কনশার্ট হবে সে কারণে মঞ্চ তৈরি করা হচ্ছে। আমরা কেএলসি টাওয়ারের পিছন থেকে ছবি তুলি । তার পরও আমরা  কেএলসি টাওয়ারের ছবি তুললাম। কেএলসি টাওয়ারের ছবি তোলা শেষ হলে দুপুর গড়িয়ে গেলে শহিদুল ইসলাম আমাদের কে টাওয়ার থেকে একটু দুরে বাঙ্গালী হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে তার সৌজন্যে আমরা দুপুরের লাঞ্চ করি। লাঞ্চ শেষ করে আমরা আবার কেএলসি টাওয়ারে আসলে শহিদুল ইসলাম ও তার বন্ধু কে বিদায় জানাই। 

এরপর ভেড়ামারার বিলশুকাববানীপুর এলাকার বাতিজা জয় আমাদের কাছে জানতে চাই আমরা কোথাই। আমরা থাকে জানাই কেএলসি টাওয়ারে। সে আমাদের সাথে দেখা করে। তার আমরা আবার ঘুরাঘুরি করি। ঘুরাঘুরি শেষে আমরা জয় কে বিদায় জানাবে। চলবে।

Post a Comment

0 Comments