এখন অপেক্ষা সাজা কার্যকরের

চেতনায় কুষ্টিয়া প্রতিবেদক \ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের পর গত ১৬ আগস্ট পেপারবুক (মামলাবৃত্তান্ত) সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় গিয়ে পৌঁছেছে। এখন শুধু অনুমোদন তথা রায় কার্যকরের অপেক্ষা। সে জন্য উচ্চ আদালতের আইনি প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। ১৬ বছর আগে এই দিনে ভয়ঙ্কর সেই গ্রেনেড হামলার ঘটনায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়। ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক শাহেদ মোহাম্মদ নূর উদ্দিনের এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, নেতা হারিছ চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন সাজা হয়। বাকি ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। এর মধ্যে তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী ও কায়কোবাদসহ ১৮ জন পলাতক রয়েছেন। এদিকে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ১৯ আসামির মধ্যে ১৭ জন ৩৪টি আপিল করেছেন। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ৭ জন ১৪টি আপিল করেছেন।
জানতে চাইলে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ একটি দরখাস্ত করবে মামলাটি দ্রম্নত শুনানির জন্য কোনো একটি বেঞ্চ নির্ধারণ করতে। মামলাটির শুনানি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করার জন্য তিনি আদালতের কাছে প্রার্থনা জানাব। নিম্ন আদালতে তারেক রহমানের হওয়া যাবজ্জীবন সাজা বাড়ানোর জন্য কোনো আপিল করবে কি না রাষ্ট্রপক্ষ এমনটি জানতে চাইলে মাহবুবে আলম বলেন, সাধারণত নিম্ন আদালতে যদি যাবজ্জীবন দন্ড হয়, সেক্ষেত্রে উচ্চ আদালতে ফাঁসির জন্য আপিল করে কোনো লাভ হয় না। আমরা চেষ্টা করব যে সাজাটা আছে সেটি যেন বহাল থাকে।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার
পর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলাটি নতুনভাবে তদন্ত করে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি পৃথক মামলা হয়। আদালতে দাখিল করা চার্জশিটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান ও তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ মোট ৫২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। এদের মধ্যে জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, হরকাতুল জিহাদের মুফতি হান্নানসহ তিনজন অন্য মামলায় ফাঁসি হওয়ায় আসামির সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৯ জনে।
গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছিল, রাষ্ট্রযন্ত্রের সহায়তায় প্রকাশ্যে ২১ আগস্ট ঘটানো হয়। এ হামলা ছিল আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করার ঘৃণ্য অপচেষ্টা। বিরোধী দলের নেতাদের হত্যা করে ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক ফায়দা অর্জন করা মোটেই গণতান্ত্রিক চিন্তার বহিঃপ্রকাশ নয়। জনগণ এ রাজনীতি চায় না। রাজনীতিতে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের মধ্যে বিরোধ থাকবে, তাই বলে নেতৃত্বশূন্য করার প্রয়াস চালানো হবে, এটা কাম্য নয়। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ক্ষমতায় যে দলই থাকবে, বিরোধী দলের প্রতি তাদের উদারনীতি প্রয়োগের মাধ্যমে গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা থাকতে হবে।
ঘটনাটি ছিল নির্মম, নৃশংস, নারকীয়, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রাজনৈতিক লিপ্সার আগুনে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছারখার করার হীন প্রচেষ্টা। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট, শনিবার এমনটিই প্রত্যক্ষ করেছিল দেশবাসীসহ পুরো বিশ্ব। দেশ বা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সাধারণত যুক্তি-তর্ক বা পাল্টাপাল্টি শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা লক্ষ্য করা গেলেও সেদিন দেখা গিয়েছিল তার উল্টো। রাজনৈতিক নেতা ও মানুষ হত্যা করে ইতিহাস-ঐতিহ্য ধ্বংসের ঘৃণ্য অপচেষ্টার সব কৌশলই সেদিন প্রত্যক্ষ করেছিল বিশ্ববাসী।
আজ রক্তাক্ত ও কলঙ্কময় সেই ২১ আগস্টের ১৬ বছর। আজ হৃদয় মথিত বেদনার দিন। ২০০৪ সালের এই দিনে বাঙ্গালি জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাচীনতম ও ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করার ঘৃণ্য অপচেষ্টা লক্ষ্য করা গেছে। পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো রাজনৈতিক দলের সমাবেশে এ ধরনের নারকীয় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেনি। ঘটনাটিকে বিবেচনা করা হয়, ১৫ আগস্টের বর্ধিত বা দ্বিতীয় সংস্করণ হিসেবে। এর আগে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট খুনিচক্র শেখ হাসিনার পিতা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছিল নৃশংস কায়দার নারকীয় উলস্নাসে। সেই একই উলস্নাস ও নৃশংসতা লক্ষ্য করা গেছে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট। সৃষ্টিকর্তার অপার মহিমায় রক্ষা পান বাংলাদেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে তুলে দেওয়া রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা।
সেদিন প্রচন্ড রৌদ্রউত্তাপ উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে চলছিল সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শান্তির সমাবেশ। আলো ঝলমলে বিকাল। আওয়ামী লীগের লাখো নেতা-কর্মী-সমর্থক সমাবেশস্থল ও আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে। দুটো ট্রাক পাশাপাশি দিয়ে তৈরি করা অস্থায়ী মঞ্চে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ কেন্দ্রীয় নেতারা বসে আছেন। মঞ্চের অদূরে পিচঢালা সড়কে বসে আছেন আইভী রহমানসহ হাজারো নেতাকর্মী। অধীর আগ্রহে অপেক্ষমান সমাবেশ পরবর্তীর্ যালি যাত্রা নিয়ে। ক্ষণে ক্ষণে চারদিক মুখরিত হচ্ছে 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' স্স্নোগানধ্বনিতে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশব্যাপী ধারাবাহিক সন্ত্রাসের চিত্র তুলে ধরে বক্তব্য শেষ করলেন। এরপরই বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ থেকে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার পর্যন্ত সন্ত্রাস বিরোধীর্ যালি শুরু হওয়ার কথা।
বিকাল ৫টা ২২ মিনিট। বিরোধীদলীয় নেতা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা মঞ্চ থেকে নামার জন্য ট্রাক লাগোয়া সিঁড়িতে পা রাখলেন। হঠাৎ গগণবিদারী আওয়াজে শুরু হলো গ্রেনেড বিস্ফোরণ। মঞ্চ ও আশপাশে একে একে ১৩ থেকে ১৪টি গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয়। আশপাশে বিভিন্ন স্থানে কয়েকটি গ্রেনেড অবিস্ফোরিত থেকে যায়। প্রতিহিংসার দানবীয় সন্ত্রাসে সেদিন আক্রান্ত হয়েছিল মানবতা। মুহূর্তেই ঝরে যায় বহু তাজা প্রাণ। আহতদের আর্তচিৎকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউর গন্ডি পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। দলীয় নেতারা তাদের প্রিয় নেতা শেখ হাসিনাকে মানববর্ম তৈরি করে রক্ষা করলেও গ্রেনেডের বিকট আওয়াজে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তার শ্রবণশক্তি।
এরপর তাকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে ঘিরে ধরে নিরাপদে গাড়িতে তোলার প্রাণান্ত চেষ্টা দলীয় নেতাদের। এসময় খুনিচক্র ওই গাড়ি লক্ষ্য করে একে ১২ রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। হামলার ধরন ও পরবর্তী কর্মকান্ড থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, সন্ত্রাসীদের মূল টার্গেট ছিলেন আজকের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। হামলায় আওয়ামী লীগের তৎকালীন মহিলাবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত জিলস্নুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নেতাকর্মী চিরবিদায় নেন পৃথিবী থেকে।
বেদনাময় এ দিবসটিকে সামনে রেখে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি মেনে নানা কর্মসূচি পালন করবে।
সেদিন মুহুর্মুহু গ্রেনেড বিস্ফোরণ, একের পর একটি দেহ প্রাণহীন হয়ে পড়া ও প্রাণভয়ে আতঙ্কিত মানুষের দিগ্বিদিক ছোটাছুটি বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউকে পরিণত করেছিল মৃত্যুপুরীতে। চারদিকে রক্ত-মাংসের স্তূপ। স্পিস্নন্টারের আঘাতে মানুষের হাত-পাসহ বিভিন্ন অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়েছিল সড়কজুড়ে। ট্রাক মঞ্চের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল রক্তাক্ত নিথর দেহ। লাশ আর রক্তে ভেসে যায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউর পিচঢালা পথ। রাজধানীর হাসপাতালগুলোও নিহত-আহতদের রক্তে রক্তাক্ত হয়ে গিয়েছিল। নিহত-আহতদের হাজার হাজার জুতা-স্যান্ডেল ছড়িয়েছিটিয়ে পড়েছিল সড়কজুড়ে। হামলার পর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা নিজে বাঁচতে ও অন্যদের বাঁচাতে যখন ব্যস্ত, তখন পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস ছোঁড়ে। ফলে নষ্ট হয়ে যায় অনেক আলামত। একদিকে বিস্ফোরিত গ্রেনেডের আওয়াজ ও ধোঁয়া, অন্যদিকে পুলিশের ছোঁড়া টিয়ার শেলের ধোঁয়ায় প্রাণভয়ে দিগ্বিদিক ছোটা মানুষ সহায়হীন হয়ে পড়ে। গ্রেনেড হামলায় আহত অনেকে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউর দলীয় কার্যালয়ে থাকলেও ভবনের প্রধান গেটে পুলিশ তালা দেয়। টিয়ার শেল ছুঁড়ে মারে। ফলে ভেতরে থাকা অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।
সেদিন নিহত হন ১৮ জন। পরে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ২৪ জনে। হামলায় আইভি রহমান ছাড়াও নিহত হন ল্যান্স করপোরাল (অব.) মাহবুবুর রশীদ, হাসিনা মমতাজ রিনা, রিজিয়া বেগম, রফিকুল ইসলাম (আদা চাচা), রতন শিকদার, মোহাম্মদ হানিফ ওরফে মুক্তিযোদ্ধা হানিফ, মোশতাক আহমেদ, লিটন মুনশি, আবদুল কুদ্দুছ পাটোয়ারী, বিলাল হোসেন, আব্বাছ উদ্দিন শিকদার, আতিক সরকার, মামুন মৃধা, নাসিরউদ্দিন, আবুল কাসেম, আবুল কালাম আজাদ, আবদুর রহিম, আমিনুল ইসলাম, জাহেদ আলী, মোতালেব ও সুফিয়া বেগম। আজো আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের শরীরে স্পিস্নন্টার বয়ে বেড়াচ্ছেন। স্পিস্নন্টারের সঙ্গে লড়াই করে পরাজিত হন ঢাকার সাবেক মেয়র মোহাম্মদ হানিফসহ আরও কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা। হামলায় আওয়ামী লীগের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী আজো শরীরে স্পিস্নন্টার বহন করে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সাংবাদিকদের মধ্যে ফটোসাংবাদিক এস এম গোর্কি ও রিপোর্টার সৈয়দ রিয়াজ আজো শরীরে স্পিস্নন্টার বহন করে বেড়াচ্ছেন।
সেসময় ক্ষমতায় ছিল বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ঘটনা তদন্তে বা এর রহস্য উন্মোচনে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এ ঘটনার জন্য সরকারকে দোষারোপ করা হয়। পরবর্তীতে একই বছরের ১২ সেপ্টেম্বর তৎকালীন জাতীয় সংসদের ১৩তম অধিবেশনে এ ঘটনায় শুধু আইভী রহমানকে মুক্তিযোদ্ধা উলেস্নখ করে শোক প্রস্তাবে তার নাম সম্পৃক্ত করা হয়। অন্য নিহতদের কারও নাম রাখা হয়নি। এ বিষয়ে আলোচনার সুযোগ দেওয়া হয়নি আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্যদের। এমনকি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া জাতীয় সংসদে বলেছিলেন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা ভ্যানিটি ব্যাগে গ্রেনেড বহন করেছিলেন। তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার এ ঘটনাটিকে ধামাচাপা দেওয়ার অব্যাহত অপচেষ্টা হিসেবে 'জজ মিয়া' নাটক সাজায়।
কর্মসূচি : গত ১৫ বছর যাবত নারকীয় এ হত্যাযজ্ঞ নিয়ে যে অনুষ্ঠানাদি চলমান ছিল, এবার করোনা মাহামারির কারণে তার ধারাবাহিকতা রক্ষা হচ্ছে না। ভয়াল ২১ আগস্ট স্মরণে আজ শুক্রবার সকাল ৯টায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত শহিদ বেদিতে দলীয় নেতারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। ২১ আগস্ট আহতরাও এতে অংশ নেবেন। সমমনা ও প্রগতিশীল অন্য রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোও নজিরবিহীন নৃশংস এ ঘটনা স্মরণ করে একই স্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন করবে।

Post a Comment

0 Comments