ভেড়ামারা প্রেসক্লাবের ১৫ সাংবাদিক নিখোঁজ \ অতপর......


চেতনায় কুষ্টিয়া প্রতিবেদক \ আজ বুধবার দুপুর ১টায় কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা প্রেসক্লাব ভবনে সাংবাদিকদের ছিল সরগম। হঠাৎ করেই প্রেসক্লাবের লগো সম্বলিত একই রং এর পেষ্ট কালারের টিশার্ট পরিহিত ১৭সাংবাদিক প্রেসক্লাবের অফিস কক্ষ তালা মেরে ৭-৮টি মোটরসাইকেল যোগে দ্রæত বেগে ছুটে যায় লালনশাহ ব্রীজ অভিমুখে। এ সময় ভেড়ামারা শহরের ভাইরাল হয়ে যায় ১৫সাংবাদিক পালিয়েছে। কেউ বলে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছে। 

কেউ বলে পাবনার কারও আমন্ত্রণে রওনা হয়েছে। বেশি কথা রটে মান-অভিমানে ১৭ সাংবাদিক ভেড়ামারা ত্যাগ করেছে। এ খবর ভেড়ামারা পৌরসভার মেয়র আলহাজ¦ শামিমুল ইসলাম ছানার কান পর্যন্ত পৌছালে তিনি মোবাইলে যোগাযোগ করেও না পেয়ে কর্মস্থলের সকলকে বলেন সাংবাদিকদের খুঁজে নিয়ে আসি। ওরা হলো ভেড়ামারার প্রাণ, দেশের বিবেক, ওরা সবাই আমার প্রিয় ছোট ভাই। যেখানেই থাকুক আমি খুঁজে তাদেরকে ফিরিয়ে আনবোই। মেয়র নিজস্ব বাহন না পেয়ে পাশে থাকা ভাই চঞ্চলকে সাথে নিয়ে দ্রæত ব্রীজ অভিমুখে রওনা দেন। এসময় মেয়রও নিখোঁজ হন। ৩ঘন্টা ধরে মেয়রসহ সাংবাদিকদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। ঠিক ঘড়ির কাটায় ৪টার সময় মেয়রসহ ১৫ সাংবাদিক ভেড়ামারায় ফিরে আসেন। কি হয়েছিল, আসুন সে ঘটনাই জেনে নিই......

ভেড়ামারা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ঈদ পরবর্তী সাংবাদিকদের পূনঃমিলনীতে একত্রিত হওয়ার উদ্দেশ্যে পূর্বেই ১নং ব্রীজ সংলগ্ন একটি রেস্টুরেন্টে স্পেশাল আইটেমের খাওয়ারের অর্ডার দেওয়া হয়। সাংবাদিকরা এসময় প্রেসক্লাব থেকে দুপুর ১টায় মোটরসাইকেল যোগে বের হয়ে যায় ভুরিভোজের সন্ধানে। জানাজানি হলে অতিথির সংখ্যা বাড়তে পারে এই ভয়েই গোপন রেখেই সাংবাদিকরা মোটরসাইকেল যোগে ভু....টান। পরবর্তীতে মেয়র মহোদয় বিশেষ মারফত জানতে পেরে সাংবাদিকদের খাবার টেবিলে যোগদান করেন। জানা গেছে, খাবার টেবিলে বসার কিছু সময় পূর্বেই মেয়রকে জানানো হয়েছিল।

ঈদ ও ঈদ পরবর্তী মাংসের ভীড়ে নাজেহাল সবাই। তাই ইলিশ মাছের ডিম, ইলিশ মাছ ভাজা, টাকি মাছের ভর্তা, আলু ভর্তা, বেগুন ভাজা, কালাই ডাল, পেঁয়াজ’র ভুনা, মিশ্রীর পায়েশ ও সাথে ছালাদ তো আছেই। এসময় বিশেষ আকর্ষনই ছিল একই টেবিলে ১৫জন সাংবাদিক ও মেয়র আলহাজ¦ শামিমুল ইসলাম ছানা এক সাথে বসে উপরোক্ত মেনু গুলো সবাই আনন্দের সাথে স্পেশাল খাবারের স্বাদ গ্রহন করা। খাওয়া শেষে লালন শাহ সেতুর পশ্চিম পাশের্^ গোল চত্ত¡রে বঙ্গবন্ধু ও লালনশাহ মোড়ালের নিচে আলোকচিত্র ধারন করা হয়। সবশেষে বিকাল ৪টায় ভেড়ামারা শহরে ফিরে আসলে সব গুজবের অবসান ঘটে।

Post a Comment

0 Comments