জনতার হার্ট অফ লাভ কাউন্সিলর মাহাবুব আলম বিশ্বাস

চেতনায় কুষ্টিয়া প্রতিবেদক \ মানুষকে বন্ধু বানানোর অপূর্ব দক্ষতা, ভালোবাসা দেওয়া, বিপদ ও সংকটকালে পাশে গিয়ে দাঁড়ানো, শত্রæ পক্ষের বিপদে পাশে গিয়ে বন্ধু করে নেওয়ার মানসিকতা, কথা দেওয়া এবং তা রক্ষা করা, যে কোন পরিস্থিতির উপর নিজেকে মানুষের সামনে শান্ত রাখা, সময়ে কমল বা স্থান, কাল, পাত্র ভেদে কখনও কঠোর হওয়া, সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে আন্তরিক ভাবে যোগাযোগ রাখা, নিজেকে সবার মাঝে সৎ, নির্ভীক, যোগ্য ও ক্লীন ইমেজ বজায় রাখার গুণ থাকা। এই সব উপলক্ষ্য যাদের মধ্যে রয়েছে, সেইতো জনতার। জনগণের প্রকৃত প্রাণের মানুষ ও আস্থাশীল বন্ধুও বটে। এমন মানুষের সন্ধান এই বর্তমান সমাজে পাওয়া খুবই দূরুহ, তবে এই জনতাই ভালোবাসা দিয়ে জানান দেয় কে জনতার জনপ্রতিনিধি। এই জনতা তাদের প্রিয় মানুষটিকে হৃদয়ের হৃদ মাজারের সিংহাসনে স্থান দিয়ে বার বার তাকে বিজয় মাল্য পরিয়ে দেন। তেমন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ীক ও প্রকৃত সমাজ ও জনতার সেবক, ২যুগ ধরে জনতার ভালোবাসায় সিক্ত, জনতার প্রিয় জনপ্রতিনিধি, তিনি হলেন ভেড়ামারা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের পর পর ৪বারের নির্বাচিত কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র এবং দলীয় দূঃসময়ের কান্ডারী, ভেড়ামারা উপজেলা আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ¦ মাহাবুব আলম বিশ্বাস। তিনি একজন সমাজ প্রগতি, গণমানুষের আস্থার বাতিঘর, দলীয় নিবেদীত প্রাণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ৫নং ওয়ার্ডবাসীর আস্থা ও ভরসার কেন্দ্রবিন্দুতে শুধু তিনি নেই, আছে পৌরসভার গন্ডি পেরিয়ে পুরো উপজেলা জুড়ে। অথচ অহমিকার বদমেজাজে তাকে কখনই দেখা যায়নি। দলীয় বা নিজের প্রভাবে কখনই কাউকে প্রভাবিত করেননি। একজন প্রচার বিমুখ, স্বল্প ভাষী, মিষ্টি মনের মানসিকতা নিয়ে মানুষের মাঝে বিচরণকারী যার চরিত্র। জনতার হার্ট অফ লাভ কাউন্সিলর মাহাবুব আলম বিশ^াস। জনতাকেই নিজের পরিবার বানিয়ে জনতার কাছে হাস্যজ্জ্বল কথামালার ডালি সাজিয়ে সুখ দুঃখের ভাগীদার হয়ে বিনা সুতোর মালার মতো ৫নং ওয়ার্ডবাসীকে গেঁথে রেখেছেন। ৫নং ওয়ার্ড এর প্রতিটি মানুষ তাদের প্রাণের প্রতিনিধি মাহাবুব আলম বিশ^াসকে নাহি দিব বিদায় এমন মানসিকতায় নিয়েই পর পর ৪বার তাকে বিপুল ভোটে তাদের অভিভাবক বা জনপ্রতিনিধি বানিয়েছেন। একমাত্র এই ওয়ার্ডেই দল মত নির্বিশেষে সবাই একই ছাউনীর নিচে, যেন একটি পরিবার। এর পিছনে পুরো কৃতিত্বই জনতার হার্ট অফ লাভ মাহাবুব আলম বিশ^াস। তিনি দল মত বিচার না করে সকলকেই সমান চোখে দেখেন। এমনকি নিজের দলের বিরোধী পক্ষের ব্যক্তিদের তিনি অন্যদের চেয়ে একটু বেশিই দেখে থাকেন বা ভালোবেসে থাকেন। এজনই তারাও দলমত নির্বিশেষে তাদের হৃদয়েও ওয়ানম্যান খ্যাত মাহাবুব আলম বিশ^াসকে স্থান দিয়েছে।
ভেড়ামারা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-১ ওয়ানম্যান হিসাবে খ্যাত এবং জনতার হার্ট অফ লাভ(হৃদয়ের ভালোবাসার মানুষ) মাহাবুব আলম বিশ^াস পর পর ৪বার নির্বাচিত সফল কাউন্সিলর। তার ৪ বার বিজয়ের পিছনে কাজ করেছে তার সততা, ন্যায় ও নিষ্ঠাপরায়নতা, মিষ্টভাসী ও সহজ সরল হাসি মুখ। তার ওয়ার্ডসহ পুরো পৌরসভার যে কোন এলাকার যে কোন প্রয়োজনে কারও মাধ্যমে তার কাছে সংবাদ পৌছালেই সে সেখানে ছুটে যান এবং বিপদগ্রস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ান। পৌরসভার বরাদ্দকৃত সামগ্রী নিষ্ঠার সাথে প্রকৃত ভুক্তভুগীদের কাছে পৌছে দেন। তার ক্লীন ইমেজের কারনেই মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছেন বার বার। দল মত নির্বিশেষে সব শ্রেনী পেশার মানুষের কাছে বিতর্কমুক্ত থাকতে পারায় দিন দিন আরও বৃদ্ধি পেয়েছে তার জনপ্রিয়তা। তার বিকল্প এখনও ঐ ওয়ার্ডে কেউ তৈরী হতে পারেনি। তিনি একাধারে সাধারন মানুষ ও ভোটারের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে পর পর ৪ বার নির্বাচনে জয় লাভ করেন এবং সবার সমর্থন পেয়ে প্যানেল মেয়র-১ হিসাবে নির্বাচিত হন। বর্তমানে তার গ্রহযোগ্যতা সবার শীর্ষে। পৌরসভার মধ্যে তিনি একজন প্রভাবশালী কাউন্সিলর। তার এই অর্জনে কাজ করেছে তার সততা। প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে খোঁজ-খবর নেন। এই কারনেই তাকে সাধারন মানুষ এতোটাই ভালোবাসে। ৪বার নির্বাচিত হলেও তার মধ্যে নেই কোন দাম্ভিকতা ও প্রচার বিমুখ।
প্রিয় পাঠক কথার বর মাল্য আর নয়, এবারে দেখে নিই ৫নং ওয়ার্ডবাসী কেমন আছেন? তিনি কি কি করেছেন? পৌরসভার মধ্যে একমাত্র ৫নং ওয়ার্ডই বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, বিধবা ভাতার কার্ড নেওয়ার মত আর কেউ নেই। এলাকায় হানাহানিতে মামলার কৌটা বর্তমানে শুন্য। পারিবারিক বা সামাজিক রেশারেশী বা দ্বন্দ নেই বললেই চলে। অবকাঠামো উন্নয়নের দিক থেকেই ৫নং ওয়ার্ড সবার চেয়ে এগিয়ে। পৌরসভার সিংহভাগ পৌর কর আদায় হয় এই ৫নং ওয়ার্ড থেকে, যা দিয়ে পৌরসভার ব্যয় নির্বাহের যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। শহরের প্রাণ বলতে ৫নং ওয়ার্ড। প্রতিটি ওলিগলিতে পিচ ঢালা পাকা রাস্তা এবং বেশির ভাগ রাস্তার নিচ দিয়ে ড্রেনেজ ব্যবস্থা করে স্থায়ীত্ব ভাবে ড্রেন নির্মাণ করেছেন। সড়ক জুড়ে রয়েছে সড়ক বাতি। এলাকার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গুলোও নাই নাই অবস্থা আর নেই। করোনাকালের দুঃসময়ে তিনি পৌরসভার থেকে বরাদ্দকৃত ত্রাণ এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ সুষ্ঠ ভাবে এতোটাই সুন্দর ভাবে বিতরণ করেছেন যে, এলাকাবাসীর মুখে মুখে প্রশাংসার ফুলঝুঁড়ি ভেড়ামারা পৌরসভার প্যানেল মেয়র মাহাবুব আলম বিশ^াসের প্রতি। পৌরসভার নির্দ্ধারিত ত্রাণ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা থাকায় তিনি অনেক পরিবারের কাছে নিজ অর্থায়নের মাধ্যমে খুব গোপন পরিসরে সবার অগোচরে ৩০০পরিবারের মাঝে নিজ হাতে ত্রাণ পৌছে দেন। ত্রাণ পৌছে দেওয়ার যতটুকু ঘাটতি ছিল ততটুকু পুরন করায় জনতার ১৬আনা খুশি পূরণ হয়েছে এবং প্রত্যেকটি ত্রাণ নিপূণ ভাবে সন্নিবেশ করে বিতরণ করা হয়েছে। এটি একটি বিশাল সফলতা। পৌরসভার ও উপজেলার বিভিন্ন ব্যবসায়ীক ভেড়ামারা বাজারে ব্যবসা কার্যক্রম করে থাকে। ৫নং ওয়ার্ডে বাজারের অধিকাংশ পড়ায় প্যানেল মেয়রের দায়বদ্ধতাও বেড়ে যায়। তিনি তার সমস্ত মেধা ও শক্তি দিয়ে ব্যবসায়ীকদের সাথে নিয়ে বাজারের ব্যবসায়ীক পরিবেশ সমন্নিত রেখেছেন। গঠন করেছেন ভেড়ামারা বণিক সমিতি নামের একটি সংগঠন। নির্বাসনে পাঠিয়েছেন সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, ঠকবাজ, হাঙ্গামাবাজ, ছিনতাইকারী ও দূষ্কৃতিকারীদের। অবৈধ প্রভাব বিস্তারকারী ব্যক্তিদের কবল থেকেও বাজারের ব্যবসায়ীকদের রক্ষা করে যাচ্ছেন।
এতোগুলো সফলতা সুষ্ঠভাবে পরিচালনা করা এবং জনতার ভালোবাসার প্রিয় ব্যক্তি হওয়ার পিছনে তিনি তার সাক্ষাৎকার বার বার একজন সহযোদ্ধার কথা স্মরণ করেছেন তার নাম উল্লেখ করেছেন। জনতা ও তিনি ছাড়া তার এই মহৎ কাজগুলো সম্ভব হতো না। কাজ গুলো অনেক দুরূহ হয়ে যেতো। ঐ প্রিয় সহযোদ্ধাকে পাশে পেয়ে আজকের এই অবস্থায় পৌছাতে পেরেছেন বলে তিনি জোর দিয়ে উল্লেখ করেন। তিনি হচ্ছেন ভেড়ামারা পৌরসভার তুমুল জনপ্রিয়, জনতার বন্ধু, বন্ধুখ্যাত মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ¦ শামিমুল ইসলাম ছানা।
আদি বুনেদি পরিবারের সন্তান আলহাজ¦ মাহাবুব আলম বিশ্বাস। বাবা মরহুম মজির উদ্দিন কোম্পানীর সমাজসেবা মূলক কাজে উদ্বুদ্ধ হয়েই তিনি জনসেবায় নিয়োজিত হন। পরবর্তীতে জনতাই তাকে জনপ্রতিনিধি হিসাবে নির্বাচিত করেন। ১৯৯৯সাল থেকে আজ অবধি তিনি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন। নিজেকে সৎ, নির্ভীক ও সেবক, আস্থাশীল, সর্বপোরী প্রকৃত জনগণের বন্ধু হিসাবে তাদের সাথে মিশে গেছেন। শত্রæ হয়েছে বন্ধু, বন্ধুর সাথে সর্ম্পক তৈরী হয়েছে আরও গভীর। মানুষের ভালোবাসায় তিনি বার বার নির্বাচিত হয়ে কাউন্সিল’র মত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে অসীন হয়েছেন বার বার। এলাকার মানুষের সাম্য ও ভ্রাত্তত্ববোধের সমাজ গঠনে ওয়ার্ডবাসীর হৃদয়ের মহানায়ক আলহাজ¦ মাহাবুব আলম বিশ্বাস। হানাহানি, মারামারি, রেশারেশি, দলাদলি সব কিছুর উপরেই তার নিপুন নিয়ন্ত্রন রয়েছে। বিচার-শালিশে তার দক্ষতা এবং ভালোবাসায় মানুষে-মানুষের মধ্যে রেশারেশি নেই বললেই চলে।
জনতার হার্ট অফ লাভখ্যাত কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র আলহাজ¦ মাহাবুব আলম বিশ্বাস সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমি কাউন্সিলর হওয়ার পর থেকে আমার ৫নং ওয়ার্ডে কোথাও কোন রাস্তাঘাট কাঁচা নাই। ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নত করেছি। যেখানে রাস্তার পাশে ড্রেনের জায়গা নেই সেখানে রাস্তার নিচ দিয়ে ড্রেনেজ ব্যবস্থা করেছি। আগামী বাজেটে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উপর বড় একটা প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টায় আছি। ইনশাল্লাহ হয়ে যাবে। ড্রেনটি ভেড়ামারা থানার সামনে থেকে ৪ রাস্তার মোড় হয়ে মহিলা কলেজের সামনে দিয়ে হিসনা নদীতে গিয়ে শেষ হবে। এটা বাস্তবায়ন হলে পৌরসভার একাংশ’র জলাবদ্ধা চিরতরে দুর হয়ে যাবে। কারন ড্রেনটি গভীর ও বড় করে আধুনিক ও পরিকল্পনা মাফিক ভাবে তৈরী করা হবে।
এছাড়াও তিনি একজন শিক্ষানুরাগী এবং সমস্ত ধর্মের প্রতি সহানুভূতিশীল। তিনি ৫নং ওয়ার্ডের যতগুলো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে তার প্রত্যেকটির সদস্য। ভেড়ামারা হাইস্কুলে পর পর ৪বার দাতা সদস্য ও ভেড়ামারা বোর্ড সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সদস্য, ভেড়ামারা মহিলা সরকারী ডিগ্রী কলেজের সদস্য ছিলেন এবং ভেড়ামারা বণিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক হিসাবে অদ্যাবধি দায়িত্বপ্রাপ্ত রয়েছেন। ত্যাগী ও লড়াকু এই নেতার বাড়িতে বিএনপি শাসন আমলে সন্ত্রাসীদের হামলার স্বীকার হন। তৎকালীন বিএনপি সরকারের সময়ে ভেড়ামারা কোথাও আওয়ামীলীগের কোন দলীয় অনুষ্ঠান করতে দেওয়া হতো না। ১৫ই আগষ্ট পালনে প্যানেল মেয়র আলহাজ¦ মাহাবুব আলম বিশ্বাস নিজ বসতবাড়িতে প্রথম সাহসিকতার সাথে পালন করতে গিয়ে বিএনপি সন্ত্রাসী হামলার স্বীকার হয় এবং ভাংচুর হয় তার বসতবাড়ি। সে সময় তিনি ঐ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আজকের আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের সাংসদ এবং কুষ্টিয়া উন্নয়নের রূপকার মাহবুব আলম হানিফকে সন্ত্রাসীদের আঘাত থেকে রক্ষায় সাহসিকতার সাথে ঢাল হিসাবে নিজেকে নেতার সামনে অবস্থান নিয়ে নেতাকে নিরাপদে অন্যত্র সরিয়ে নেন। সেখান থেকেই শুরু হয় ভেড়ামারা উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রতিরোধ সংগ্রামের মাঠে নামা। কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র আলহাজ¦ মাহাবুব আলম বিশ্বাস বাবা মৃত- মজির উদ্দিন বিশ্বাস কোম্পানী ও মা মৃত- রাবেয়া খাতুনের ৪র্থ সন্তান। তারা ৭ভাই ৬ বোন।

Post a Comment

0 Comments