কুমারখালিতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ-হত্যা \ ৩ কিশোরের আদালতে দোষ স্বীকার

চেতনায় কুষ্টিয়া প্রতিবেদক \ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনায় গ্রেপ্তার তিন কিশোর আদালতে দোষ স্বীকার করেছে। বিকালে কুষ্টিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতে তাদের সোপর্দ করা হয়। পরে বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান তাদের কারাগারে পাঠান। তারা হলো- উপজেলার কয়া গ্রামের জসিম মালিথার ছেলে লিমন (১৭), উজ্জ্বল শেখের ছেলে সাহিল (১৭) এবং আব্দুল বারেক শেখের ছেলে হিমেল (১৭)। নিজ গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 
গত ৪ জুন কয়া কাজীপাড়া গ্রামের আম গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় কয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী জয়া খাতুনের লাশ উদ্ধার করে কুমারখালী থানা পুলিশ। এ ঘটনায় তার বাবা জিয়ার শেখ বাদী হয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে কিশোর লিমনের নাম উল্লেখসহ ২/৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, প্রধান আসামি লিমন, তার সঙ্গী সাহিল এবং হিমেলকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তখন তারা জয়াকে দলবেঁধে ধর্ষণ শেষে গলায় ওড়না পেচিয়ে গাছে ঝুলিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করে। পরে বিচারিক হাকিমের আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়।
আদালতে শুনানি শেষে তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতের কিশোর সেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। অপর আসামি সজিবকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানান ওসি।

Post a Comment

0 Comments