সাধারন থেকে অসাধারণ হয়ে উঠার অসমাপ্ত গল্প


চেতনায় কুষ্টিয়া প্রতিবেদক \ বৈর্শি^ক মহামারী নোবেল করোনা ভাইরাস এর কবলে সারা পৃথিবীর মানুষ। আক্রান্ত’র সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে, এই ভাইরাস ছোঁয়াচে হওয়ায় মানুষ থেকে মানুষের মধ্যে দ্রæত ছড়িয়ে পড়ছে। পৃথিবীর প্রভাবশালী ব্যক্তি থেকে শুরু করে সাধারন মানুষ লড়াই করছে অদৃশ্য এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে, ভাইরাসটি কাউকে ছেড়ে কথা বলছে না। গোটা পৃথিবীর মানুষ নামের প্রাণীটির বর্তমান সময়টা চরম আতংক, উৎকন্ঠা ও মৃত্যু ভয়ে আতংকীত হয়ে আছে, করোনা নামক ভাইরাসটির চোখ রাঙ্গানীতে। করোনাকালে অনেকেই রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যবসায়ীক কর্মকান্ডের পরিধি কমিয়ে নিয়ে এসেছে অথবা চার দেওয়ালের মধ্যে নিজেকে আবদ্ধ করে রাখছে। ঠিক সেই মুহুর্তে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলাবাসীর কাছে জননন্দীত ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব পৌরবাসীর কাছে তুমুল জনপ্রিয় মেয়র আলহাজ¦ শামিমুল ইসলাম ছানা তার রাজনৈতিক ও সামাজিক এবং পৌর পিতার দায়িত্ব নিয়ে সাধারন মানুষের মাঝে ছুটে চলেছেন অবিরত। করোনাকালে গরীব ও অসহায় মানুষের যখন দুমুঠো খাবার জুটছে না, তখন তিনি ত্রাণ নিয়ে পৌছে গেছেন প্রত্যেকের দুয়ারে দুয়ারে। তিনি মরণব্যার্ধী করোনা ভাইরাসের কাছে ভীতু না হয়ে অবলীলায় মিশেছেন সবার সাথে। তার ভূমিকা ছিল ফ্রন্টলাইনের করোনা যোদ্ধা হিসাবে। করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের পাশে গিয়ে যেমন সাহস জুগিয়েছেন এবং সার্বিক সহযোগীতাসহ চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন, তেমনি মৃত ব্যক্তিদের দাফন-কাফন ও সৎকারে তাকে সরবউপস্থিতি দেখা গেছে।

এরই মধ্যে ভেড়ামারা পৌরসভার জনপ্রিয় মেয়র শামিমুল ইসলাম ছানা ফ্রন্ট লাইন যোদ্ধা হিসাবে কাজ করা অবস্থায় গত ৭ জুন করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের স্বীকার হন। করোনা পরীক্ষায় ৮ই জুন করোনা রেজাল্টে পজেটিভ আসে। ডাক্তারী পরামর্শে তিনি আইসোলেশনে যেতে বাধ্য হন। প্রথম পর্যায়ে আইসোলেশনে ১৪দিন এবং পরবর্তীতে আরও ৭দিন সর্বমোট ২১দিন জনসাধারনের মধ্যে তার অনুপস্থিতি সৃষ্টি করে বিরাট এক শুন্যতা। পৌরবাসী, পৌর পিতার শুন্যতা অনুভব করে। পৌরবাসীর সেবাকেন্দ্র হিসাবে পরিচিত পৌরভবনে কার্যক্রমে নেমে আসে স্থবিরতা। এসময় আরও দুজন কাউন্সিলর করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। প্রিয় মেয়র’র করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের খবর শুনে পৌরবাসী ব্যথিত ও আতংকগ্রস্থ হয়ে পড়েন। কারন এই ভাইরাসটির কারনে মৃত্যুর হার দেড় থেকে ২ভাগ হলেও কে সুস্থ্য হবে, আর কে মৃত্যুবরণ করবে, সেটা এখনও রহস্যই রয়ে গেছে। কারন করোনা ভাইরাসের সুস্থ্যতায় নির্দিষ্ট কোন চিকিৎসা পদ্ধতি নাই বা এখনও আবিস্কৃত হয়নি এর কোন প্রতিষেধক। আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিজেদের উপরই বাঁচা-মরা নির্ভর করে। 

কিন্তু সব শ্রেণী পেশার মানুষসহ পৌরবাসীর জননন্দিত ও জনপ্রিয় মেয়র আলহাজ¦ শামিমুল ইসলাম ছানা নিজে আতংকগ্রস্থ না হয়ে তিনি ডাক্তারের পরামর্শ এবং ঘরোয়া ভাবে কঠোর নিয়মনীতি পালন করে করোনা ভাইরাসকে পরাজিত করেন। এ সময় তিনি নিজের মনোবল সুদৃঢ় রেখেছিলেন। তার প্রবল ইচ্ছাই ছিল তিনি সুস্থ্য হয়ে জনগণের মাঝে সেবার ব্রত নিয়ে পুনরায় ফিরে যাবেন। ফিরবেন মা ও বাবার কোলে, স্ত্রী-সন্তান ও ভাইদের হাঁসিমাখা প্রিয় মুখ বজায় রাখতে তাকে ফিরতেই হবে এমনই জেদ নিয়ে করোনা যুদ্ধে তিনি জিতবেন, হারবেন না এমন সাহসীকতার প্রতিজ্ঞা নিয়েই প্রবল মনোবল ও ইচ্ছাশক্তির সঞ্চালন করেছিলেন নিজের মাঝেই। 

এছাড়াও দ্রæত সুস্থ্য হওয়ার পিছনে রয়েছে ভেড়ামারা ও পৌরবাসীর দোয়া ও ভালোবাসা এবং প্রিয়তমা স্ত্রী আলহাজ¦ সাবিনা ইসলাম পুতুল ও প্রিয় ছোট ভাই সাজেদুল ইসলাম পলাশের সেবা-যতœ। জয় করেন মরণব্যাধী করোনাকে। এখন তিনি পৌরবাসীর করোনা জয়ী একজন সাহসী মেয়র। ফ্রন্টলাইন যোদ্ধা করোনা জয়ী মেয়র আলহাজ¦ শামিমুল ইসলাম ছানা পৌরবাসীর সেবাকেন্দ্র পৌরভবনে পুনরায় ২৮শে জুন কাজে যোগদান করলে তাকে বরণ করে নেয় পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারী ও কাউন্সিলরবৃন্দসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষ। জননন্দিত প্রিয় মেয়র আলহাজ¦ শামিমুল ইসলাম ছানা করোনা জয় করে ফিরে আসায় পৌরবাসীর মধ্যে নেমে আসে স্বস্থি ও আনন্দের বণ্যা। তারা বিভিন্ন ভাবে তাদের প্রিয় মেয়রকে বরণ করে নেন। কর্ম সঞ্চালতা ফিরে আসে পৌরভবনসহ পৌরবাসীর মধ্যে। ডাক্তারগণ তার শারীরিক দূর্বলতার কারনে আরও কিছু দিন স্বল্প পরিসরে কাজ করতে বললেও মানুষের সেবায় তিনি রাত-দিন অবিরাম কাজ করে চলেছেন। তিনি সাধারন মানুষের সেবায় আবারও নিজেকে আতœ নিয়োগ করেছেন।

ডাক্তারী পরামর্শে আইসোলেশনে মেয়রের ২১দিনঃ করোনা জয়ী জননন্দিত মেয়র আলহাজ¦ শামিমুল ইসলাম ছানা সাংবাদিকদের কাছে করোনা জয়ের গল্প এবং অনুভূতির কিছু কথা তুলে ধরেন। তিনি যখন করোনা ভাইরাসের আক্রান্তের সংবাদ পান, তখন তিনি সাহস হারান নাই, মনোবল ধরে রেখেছিলেন। প্রথম পর্যায়ে ১৪দিনের আইসোলেশনের প্রতিটি সেকেন্ড, মিনিট, ঘন্টা, দিন পার করেছেন ভেড়ামারা ও পৌরবাসীর কথা ভেবে, কারন এই মহামারীর সময় সবাই অসহায়, তারা কেমন আছে, কি খাচ্ছে কিভাবে দিন যাপন করছে, স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে থাকা এই মানুষদের কথাই তিনি ভেবে গেছেন এই ১৪দিন। মহান আল্লাহর কাছে  একটি ফরিয়াদই করেছেন, তিনি যেন সুস্থ্য হয়ে আবার জনতার সেবক হিসাবে তাদের মাঝে ফিরে যেতে পারেন এবং অসহায় গরিব-দুঃখী মানুষদের খেদমত করতে পারেন। মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা এবং আল্লাহর অশেষ রহমতে তার দোয়া কবুল হয়েছে। এ সময় তিনি কৃতজ্ঞ চিত্তে ভেড়ামারাবাসীর কথা স্বীকার করেন। এছাড়াও ডাক্তার, আত্বীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, সহকর্মী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী, পৃথিবীব্যাপী পরিচিত ও শুভাকাঙ্খীগণ বিভিন্ন ভাবে সহযোগীতা করায় তাদের প্রতি তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এছাড়াও আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় তার সেবা যতœ ও দেখভাল করার জন্য বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, তার প্রিয়তমা সহধর্মিনী আলহাজ¦ সাবিনা ইসলাম এবং প্রিয় ছোট ভাই সাজেদুল ইসলাম পলাশের। তিনি আইসোলেশনে থাকাবস্থায় পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে যেসব আত্বীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিত মুখ চলে গেছেন, তাদের শেষ যাত্রায় শরীক হতে না পেরে ব্যথীত হয়েছেন এবং দুর থেকেই তাদের আতœার শান্তি কামনা করেছেন।

পৌরবাসীর জনপ্রিয় ও জননন্দিত করোনা জয়ী মেয়র আলহাজ¦ শামিমুল ইসলাম ছানা বলেন, করোনা ভাইরাস সারা পৃথিবীকে অস্থির করে তুলেছে। প্রতিটি দেশ এই মরণ ভাইরাসে আক্রান্ত। বাংলাদেশেও এর প্রকোপ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই রোগের নির্দিষ্ট কোন চিকিৎসা না থাকায় এবং প্রতিষেধক আবিষ্কার না হওয়ায় মানুষের মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থায় সারা পৃথিবীর অর্থনৈতিক অবস্থাও নাজুক হয়ে পড়েছে। চিকিৎসকরা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে। যত দিন পর্যন্ত প্রতিষেধক আবিষ্কার না হচ্ছে, ততোদিন পর্যন্ত বিশ^স্বাস্থ্য সংস্থ্যা ও বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দিক নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। এতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। আমাদের প্রিয় নেত্রী বঙ্গবন্ধু’র কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। তিনি করোনাকালে দেশের সকল মানুষের জন্য সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করেছেন। মানুষের কথা চিন্তা করে জীবন ও জীবিকা দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তিনি জোর দিয়েছেন। 

সেজন্য আমাদের সকলকে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকারী দেওয়া বিধি-নিষেধ মেনে চলতে হবে। তাহলে আমরা এই মরণব্যাধি করোনা’র হাত থেকে রক্ষা পাবো। করোনা আক্রান্ত মানেই মৃত্যু নয়। সাহস ও মনোবল ঠিক রাখলে, ডাক্তারী পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মনীতি মেনে বাড়িতেই চিকিৎসা সেবা নিয়ে সুস্থ্য হওয়া সম্ভব। গুরুত্বর না হলে হাসাপাতালে না যাওয়াই ভালো। যেটা আমি বাড়িতে থেকে চিকৎসা নিয়ে সুস্থ্য হয়ে প্রমাণ করতে পেরেছি। তাই সাহস হারাবেন না। আমার সাধ্য অনুযায়ী মানুষের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। অনাকাঙ্খিত ভাবে কারও মৃত্যু ঘটলে দাফন-কাফন ও সৎকারে সমস্ত ব্যবস্থা আমি গ্রহন করবো। এই দুঃসময় চিরস্থায়ী নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্থনীতি সাফল্যে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছিল, সেভাবে আগামীতেও তার নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে। এই দুঃসময় চিরস্থায়ী নয়, মেঘের আড়ালে লুকায়িত সূয্য উঠবেই। তাই এসময় আমাদের মধ্যে ভাতৃত্ব্যবোধ ঐক্য জরুরী। আসুন আমরা সকলে একত্রিত হয়ে এই দুঃসময় পাড়ি দিই।

১৯৮৪’র ছাত্রনেতা ছানা থেকে করোনা জয়ী মেয়র ছানা ঃ ১৯৮৪ সালে মেয়র আলহাজ¦ শামিমুল ইসলাম ছানা ছাত্র রাজনীতিতে পদার্পন করেন। তার সততা, দক্ষতা ও সাহসিকতা এবং নেতৃত্বগুণ তার রাজনীতিতে পরিপূরক হিসাবে কাজ করে। তার মধ্যে অলৌকিক কিছু গুন থাকায় মানুষের কাছে তার গ্রহনযোগ্যতা অসীম। তখনকার সময়ে তিনি একজন দাপুটে ছাত্র নেতা হিসাবে আর্বিভূত হন। নেতৃত্বগুণ থাকায় ছাত্রদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহনযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়। এর ফল পেতে বেশি দিন সময় লাগেনি তার। ১৯৯২সালে ভেড়ামারা কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জিএস পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। তখন তিনি একজন নেতৃত্বগুণ সম্পন্ন দাপুটে ছাত্রনেতা হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন। ছাত্রদের অধিকার আদায়ে তিনি ছিলেন আপোষহীন। 

সে সময় তিনি অসহায় ও দূর্বলদের প্রতি উদার মনোভাব ও পরোপকারী ছিলেন। একটি ঘটনায় উল্লেখ, ভেড়ামারা কলেজের কয়েকজন ছাত্র টাকার অভাবে পরীক্ষার ফরম পূরন করতে না পেরে ছাত্ররা তার কাছে আসেন, এসময় তার কাছে টাকা না থাকায় আলহাজ¦ শামিমুল ইসলাম ছানা তার হাতে আঙ্গুলে থাকা খুবই প্রিয় একটি সোনার আংটি খুলে তাদেরকে দিয়ে দেন, এই ঘটনার ঐ স্মৃতি এখনও উজ্জল এই প্রতিবেদকের কাছে। তার এমন গুণ থাকায় তার সময়কালে এতো জনপ্রিয় ছাত্রনেতা ঐসময় দ্বিতীয়টি গড়ে উঠেনি। পরবর্তীতে ২০১২ সালের ১৬ই জুন বাংলাদেশের জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ভেড়ামারা উপজেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হন। তার নেতৃত্বে ধীরে ধীরে বিকশিত হয় আওয়ামীলীগ। উপজেলার প্রতিটি গ্রামে আওয়ামীলীগকে গণমানুষের প্রিয় দলে পরিণত করেন। 

তিনি দ্বিতীয় বারের মত ২০১৯ সালের ৫ই নভেম্বর মাসে আওয়ামীলীগের উপজেলা কাউন্সিলের মাধ্যমে আবারও অপ্রতিদ্বন্দী হিসাবে সাধারন সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হন। আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার আগেই পৌর নির্বাচনে ২০১১সালে ১৩ই জানুয়ারী ভেড়ামারা পৌরসভার মেয়র হিসাবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। রেকর্ড দ্বিতীয় বারে আবারও তিনি ২০১৫সালের ৩০ডিসেম্বরের নির্বাচনে বিপুল ভোটে জনপ্রিয় ও জননন্দিত পৌর মেয়র হিসাবে পুনরায় নির্বাচিত হন আলহাজ¦ শামিমুল ইসলাম ছানা। দুটি নির্বাচনেই তিনি চরম প্রতিকুলতার মধ্যে নির্বাচন করে জয় লাভ করেন। এ যাবৎ কালে ভেড়ামারা পৌরসভার নির্বাচনে পর পর ২বার মেয়র হিসাবে নির্বাচিত হতে পারেনি কোন ব্যক্তি। 

পৌরবাসীর আকাঙ্খীত নেতৃত্বগুণ সম্পন্ন ব্যক্তি হিসাবে তিনি ২ বার নির্বাচিত হয়ে প্রমাণ করলেন পৌরবাসীর সফল পৌর পিতা আলহাজ¦ শামিমুল ইসলাম ছানা। পৌর পিতা করোনা জয়ী মেয়র আলহাজ¦ শামিমুল ইসলাম ছানা বয়সে এখনও অনেকটাই তরুণ, আগামীতে অপেক্ষা করছে স্বপ্নের ভেড়ামারা পৌরসভা গঠনে তার ক্যারিশমেটিক কাজ। সাধারন এক কিশোর বালক থেকে আজ তিনি অসাধারন, ব্যক্তিত্বগুণ সম্পন্ন ভেড়ামারা পৌরসভার সফল, জননন্দিত, জনপ্রিয় ও ক্যারিশমেটিক মেয়র হিসাবে পরিচিতি পেয়েছেন। তিনি একের পর এক জয় করে নিজেকে পরিণত করেছেন। তিনি প্রমাণ করেছেন আমি জনগণের। সর্বশেষ করোনা কে জয় করে আবারও প্রমাণ করলেন আল্লাহ ও জনগণ তাকে কতোটা ভালোবাসে। তাই ভেড়ামারাবাসী করোনার বিরুদ্ধে এই ফ্রন্টলাইন যোদ্ধা করোনা জয় করায় মেয়র আলহাজ¦ শামিমুল ইসলাম ছানাকে স্যালুট ও হর্ষধ্বনির সাথে করতালি দিয়ে বরণ করে নিয়েছেন।

Post a Comment

0 Comments