আপোষহীন ও সংগ্রামী জাসদ নেতা’র বর্ণাঢ্য রাজনীতির ৪৭ বছর

চেতনায় কুষ্টিয়া প্রতিবেদক \ ক্ষমতা না জনতা, জনতা জনতা। রাজপথ না গোল টেবিল, রাজপথ রাজপথ। আপোষ না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম। মেহনতী জনতা এক হই লড়াই কর। লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই, এ লড়াই এ আপোষ নয়। যত লাগে রক্ত! আরও দেবো রক্ত, রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়, এমন সব রাজপথ কাঁপানো, আগুন ঝড়া, রক্ত তোলপাড় করা শ্লোগানে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সংগ্রামী চেতনা উজ্জীবিত করেছে সে বহুবার। তার নিজ হাতে গড়া অনেক দাপুটে ছাত্রনেতা জন্ম দিয়েছেন এবং তারা রাজনীতির মাঠে এখনও দাপুটের সাথে রাজনীতি করে যাচ্ছেন। রাজনীতির দল বদলের সস্তার খোলা বাজারে অনেকেই গা ভাসালেও, সে উপরোক্ত ¯েøাগানের কথা গুলোর সাথে বেঈমানী করেননি, এখনও ধারন করে চলেছেন। রাজনীতির ৪৭বছরেও এখনও গণমানুষের কান্ডারী হিসাবে মানুষের পাশে রয়েছেন এই বিপ্লবী মানুষটি। শুধু ভেড়ামারার নেতাই নয়, সমগ্র সংগ্রামী, বীর জনতার ও সৎ দেশ প্রেমিকদের প্রাণের সংগ্রামী জননেতা, তিনি হলেন সবার প্রিয় ভেড়ামারার রাজনৈতিক অজ্ঞনের কান্ডারী এক উজ্জল নক্ষত্রের নাম আলহাজ¦ আব্দুল আলীম স্বপন। তিনি ৪৭ বছরের ইতিহাসে রাজনীতিতে অনেক আন্দোলনের সফল এক মহানায়ক। এক বিপ্লবী। এক সংগ্রামী। এক আপোষহীন জননেতা। তার সংগ্রামী ও বিপ্লবী চেতনার ৪৭বছরের রাজনীতির উল্লেখযোগ্য কিছু অংশ পাঠকের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন এই প্রতিবেদকদ্বয়।
গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা জাতীয়তাবোধের আর্দশে উজ্জিবিত, শোষিত, নীপিড়িত, নির্যাতিত মানুষের দাবী আদায়, তাদের পক্ষে সমাজ গঠনে বিপ্লবী চেতনা বুকে ধারন করতেন। এমন সময় বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ৩১ অক্টোবর দেশের কাঙ্খিত গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবোধকে অক্ষুন্ন রাখতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে জন্ম নিল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ। নিজের চিন্তার এবং চেতনার দল পেয়ে ১৩ বছরের সেই দূরন্ত ছোট্ট প্রতিবাদী লড়াকু মানষিকতার কিশোরটি প্রগতিশীল ধারার রাজনৈতিক প্লাটফরম জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদে পা রাখেন। সেই কিশোরটি দীর্ঘ ৪৭ বছর কালের পরিক্রমায় চলার পথের বহু চড়াই উৎরাই পাড়ি দিয়ে প্রতিটি ধাপে ধাপে নিজেকে সবার কাছে প্রমাণ করে পরিণত হয়ে আজ একজন আপোষহীন, সংগ্রামী, বিপ্লবী, পরীক্ষিত, স্বার্থক ও পূর্ণাঙ্গ রাজনীতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন। তিনি প্রমাণ করেছেন, সে বীর জনতার একজন সংগ্রামী নেতা আলহাজ¦ আব্দুল আলীম স্বপন। ক্ষমতাসীনদের ডলন-পিড়ন, জেল-হাজত, দূর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসীদের রক্তচক্ষু, ভয়ভীতি কোন কিছুকে তোয়াক্কা না করে দলীয় ও স্বকীয় আর্দশে অটুট থাকতে পেরেছিল বলেই, তিনি শুধু নিজ জন্ম এলাকা কুষ্টিয়ায় নয়, সেই লড়াকু অকুতভয় ও প্রগতিশীলমনা বালকটি তৃণমূল পর্যায় থেকে জাতীয় রাজনীতিতেও কেন্দ্রীয় নেতা হিসাবে দক্ষতা ও নেতৃত্ব প্রমাণ করেছেন। বিভিন্ন সন্ত্রাসী বাহিনী কর্তৃক জাসদের অনেক ত্যাগী এবং মেধাবী নেতা-কর্মী খুন হয়েছে। ঐ সময়টাই তিনি ভয়ে ভীত হয়ে ফিরে আসেনি বরঞ্চ দূর্বার গতিতে দলকে সংঘটিত করে খুনি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াই করে নেতা-কর্মীদের হত্যার বিচারের দাবী জানিয়েছে। অনেক প্রবীণ ব্যক্তির মতামত সে একজন আপোষহীণ লড়াকু যোদ্ধা, এ যোদ্ধা কুষ্টিয়ার মধ্যে জাসদকে প্রাণ সঞ্চার করে রেখেছে এ যাবৎকাল।
বিগত ১৯৭২ সালের ৩১ অক্টোবর দেশের কাঙ্খিত গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবোধকে অক্ষুন্ন রাখতে এদেশীয় রাজনীতিতে নতুন ভাবে জন্মনিল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ। এর মাত্র কিছুদিন পর ১৯৭৩ সালে উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের একমাত্র ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধরমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর মেধাবী ও প্রগতিশীলমনা ছাত্র আলহাজ¦ আব্দুল আলিম স্বপন সদ্য প্রতিষ্ঠিত জাসদ ছাত্রলীগে যোগদান করেন। জাসদের বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও উপজেলা কমিটির সভাপতি এমদাদুল ইসলাম আতা’র হাত ধরে রাজনীতিতে পদার্পণ করেন এবং নিজের নীতি আদর্শ দক্ষতা ও সততার মাধ্যমে একে একে সে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ধরমপুর স্কুল শাখার সভাপতি, তিনি ১৯৭৩সালে ছাত্র সংসদের নির্বাচিত জি.এস এরপর ১৯৭৪ সালে ছাত্র সংসদের নির্বাচিত ভিপি. নির্বাচিত হয়। এরপর কলেজ ছাত্র রাজনীতিতে পদার্পণ করেন। সেখানে ১৯৭৯ সালে কলেজ ছাত্রলীগের দাপুটে প্রচার সম্পাদক, ১৯৮০ সালে কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত আমোদপ্রমোদ ও নাট্য সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হন। রাজনীতিতে তার মেধা সৎ, নির্লোভ প্রতিবাদী আপোষহীন অকুতভয় ছাত্রনেতা হওয়ার কারনে কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। এর ফল স্বরূপ ১৯৮২ সালে ছাত্র সংসদের নির্বাচনে দাপুটের সাথে জি.এস পদে নির্বাচিত হন। ১৯৮৩ সালে প্রথম ভেড়ামারা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এরপর ১৯৮৪ সালে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৮৫ সালে ছাত্রলীগের সভাপতি, ১৯৮৯ সালে ভেড়ামারা উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৯ সাল থেকে তিনি এখন পর্যন্ত কুষ্টিয়া জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদকের মত গুরুত্বপূর্ণ ও দায়িত্বশীল পদটি সুদক্ষ নেতৃত্বে পরিচালনা করে আসছেন। এছাড়াও তিনি ১৯৯৭সাল থেকে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। জেলার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় তিনি ২০১৬সালে কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হয়ে দক্ষ ও সুষ্ঠ ভাবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র বাস্তবায়নের প্রত্যয় নিয়ে জাসদ রাজনীতিতে এসে শতাধিক বার মামলার আসামী হওয়া, ১৭ বার গ্রেপ্তার ও ১৪ বার কারা বরণ এবং অসংখ্য বার হামলার শিকার হতে হয়েছে সংগ্রামী ও আপোষহীন এই জননেতা আলহাজ¦ আব্দুল আলিম স্বপন। ১৯৮২ সালের ৩রা এপ্রিল তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী প্রকাশ্য দিবালোকে ভেড়ামারা কলেজ প্রাঙ্গনে এক ভয়াবহ হামলা চালালেও আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি প্রাণে বেঁচে যান। এছাড়াও খুলনা বিভাগে ছাত্র রাজনীতি কালীন সময়ে ১৯৮৩সালে ৮ই নভেম্বর খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম মার্শাল আইন ভায়োলেট করে মিছিল করেন তার নেতৃত্বে ভেড়ামারা উপজেলার প্রতিবাদী ছাত্র-ছাত্রীরা। এর কয়েকদিন পর বিশেষ ক্ষমতা আইনে তাকে ১ মাসের আটকাদেশ দেন। কিন্তু ছাত্রদের প্রিয় নেতা আলহাজ¦ আব্দুল আলীম স্বপনকে আটক করায় ভেড়ামারার সকল প্রতিবাদী ছাত্র-ছাত্রীরা এর প্রতিবাদের ফুঁসে উঠে। শুরু হয় তুমুল মিছিল মিটিং সমাবেশ। বাধ্য হয়ে তৎকালীন সময়ের স্বৈরাশাসক ১৩দিনের মাথায় জনপ্রিয় সংগ্রামী ছাত্রনেতা আলহাজ¦ আব্দুল আলীম স্বপনকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। এছাড়াও অপারেশন ক্লিনহাটের সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আটক করা হয়। জনতার জনপ্রিয় এই নেতা সৎ, নির্লোভ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের অধিকারী হওয়ায় এবং কোন অসন্তোষজনক কোনো কিছু না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।
এছাড়াও ১৯৮৭ সালে সমগ্র দেশব্যাপী বাস ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে ৭দল ও ৫দলের ৮ঘন্টাব্যাপী অবরোধ সফল করায় আলহাজ¦ আব্দুল আলীম স্বপনসহ কয়েকজনকে আটক করে। তারই প্রতিবাদে আটকের ১ ঘন্টা পরেই জাসদ ছাত্রলীগ এবং ছাত্রদল তৎকালীন সময়ের উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মোল্লা মোশারফ হোসেনকে তার অফিস থেকে আটককৃতদের মুক্তিপণ হিসাবে তুলে নিয়ে যায় প্রতিবাদী ছাত্ররা। তিনি কয়েকবার নির্বাচন করে, নির্বাচনে নির্বাচিত না হওয়ার পরও নিজেকে এখনও পর্যন্ত হাসি মুখে বিলিয়ে দিয়েছেন ও জনগণের সেবক হিসাবে নিজেকে চলমান রেখেছেন এবং জনতার অধিকার আদায়ের এখনও একজন সংগ্রামী নেতা। মহাজোটের শরীকদল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ’র কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এমপি নির্বাচনে জয়লাভ করার পর এলাকার উন্নয়ন কর্মকান্ড ব্যাপক তরান্বিত হওয়ার পিছনে আলহাজ¦ আব্দুল আলীম স্বপনের ভূমিকা অনিস্বীকার্য। উন্নয়নের কাজ গুলো যথাযথ ভাবে বাস্তবায়নে দক্ষ হাতে তিনি নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দল, নেতা ও তার ক্লীন ইমেজ ধরে রেখে জনতার গ্রহনযোগ্য ব্যক্তি হিসাবে তার সুনাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি দল ও নিজেকে দুঃসময়ে যেমন আগলীয়ে সুশৃঙ্খল রেখেছিলেন, তেমনি বর্তমান রাজনীতিতে কোন অপশক্তি বা অসৎ ব্যক্তিদের আশ্রয়-পশ্রয় দেননি।
রাজনৈতিক অঙ্গনের কান্ডারী আলহাজ¦ আব্দুল আলীম স্বপন বলেন, নারী-পুরুষের বৈষম্য, রাজনীতির বৈষম্য, এই বৈষম্যকে ভাঙ্গবো এবং সমাজতান্ত্রিক সমাজ গড়বো। বৈষম্যমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠার ধারক এবং বাহক তাদের সাথে কোন আপোষ নয়। দূনীর্তি মুক্ত সু-শাসন সমাজ ব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্য ছাড়া বিকল্প রাস্তা নাই। এই ব্যবস্থা গড়তে সকল সৎ দেশপ্রেমিক নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এই আদর্শের সঙ্গে আছি এবং থাকবো। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে মহামারি করনায় গোটা দেশ আক্রান্ত। ক্ষনস্থায়ী ত্রাণ দিয়ে তাদেরকে বেঁচে থাকার ব্যবস্থা করলেও অর্থনৈতিক ভাবে তাদের আবারও পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হলে একদিকে করানোকে পরাজিত করতে হবে এবং করোনা পরবর্তী সময়ে অর্থনৈতিক পুনঃবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। মনে হচ্ছে দীর্ঘ সময় ধরে করোনাকে মোকাবেলা করতে হতে পারে। বিশ^স্বাস্থ্য সংস্থা ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক সামাজিক নিরাপত্তা বিধি মেনে চলতে হবে। করোনাকালে স্বাস্থ্য খাতে যে দূর্ণীতি হয়েছে, তদন্ত পূর্বক দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে কঠোর ভাবে দমন করতে হবে এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অবকাঠামো আমুল পরিবর্তন করতে হবে। আমি ও আমার দল জাসদ মহামারী করোনাকালে অহসায় মানুষের পাশে থেকে সাধ্যমত সবরকম সাহায্য ও সহযোগীতা করেছি এবং আগামীতেও করবো।
এই জীবনে প্রাপ্তির খাতায় আপনার কি রয়েছে জানতে চাইলে উত্তরে তিনি বলেন, শতাব্দির মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের ঘৃণীত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত বাঙ্গালী জাতির কলংক খুনীদের বিচার ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি প্রদান এবং মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী রাজাকারদের বিচার এই জীবনে দেখে যাওয়াটাই আমার জন্য চরম প্রাপ্তি। তিনি বলেন, বিপ্লবীদের ক্ষনস্থায়ী কোন চাওয়া-পাওয়া নেই। জনপ্রতিনিধি হওয়া মানে জনতার সম্পদ সুষ্ঠভাবে বন্টন করা। কিন্তু সংগ্রামী বা বিপ্লবীদের কাজ হচ্ছে রাষ্ট্রের জনবিরোধী আইন, বৈষম্য এবং জনতার অধিকার নিশ্চিতের আইন প্রনয়নে রাষ্ট্রযন্ত্র কে বাধ্য করার জন্য যে আন্দোলন, ঐ আন্দোলনের মাঠে যারা সৈনিক বা তারাই জনতার প্রকৃত জনপ্রতিনিধি। রাষ্ট্রের সকল সুুযোগ-সুবিধা জনগণের জন্য নিরাপদ আইন প্রনয়নের জন্য আজীবন সংগ্রাম করে যাবো।
১৯৬১সালে ১৫ই মার্চ ভেড়ামারা উপজেলার চাঁদগ্রাম ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের এক আদর্শ মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন আলহাজ¦ আব্দুল আলিম স্বপন। মরহুম লুৎফর রহমান জোর্য়াদ্দার ও হালিমা খাতুনের ৩ পুত্র সন্তানের মধ্যে তিনি সবার বড়। তিনি ২ কন্যা ও ১ পুত্র সন্তানের জনক, বিবাহ সূত্রে আবদ্ধ হন ১৯৮৯ সালে। সংগ্রামী জননেতা আলহাজ¦ আব্দুল আলিম স্বপনের প্রিয়তমা সহধর্মিনী নাসিমা আলীম সাজু। তিনিও একজন সমাজ সেবীকা ও রাজনীতির মাঠে সক্রিয় এবং প্রান্ত নারী সমাজের অবহেলীত, নিপীড়িত, নির্যাতিত নারীদের পাশে রয়েছেন। তিনি জাতীয় নারী জোটের নেত্রী। এছাড়াও তার ছোট ভাই চাঁদগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান।

Post a Comment

0 Comments