মালেয়শিয়ার জাতীয় সংসদ ভবন মুগ্ধ করেছে ঃ দ্বিতীয় পর্ব

জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক চেতনায় কুষ্টিয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল, সহ-সভাপতি ও দৈনিক প্রবাহ প্রতিনিধি আনোয়ার পারভেজ শান্ত ও সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি প্রদীপ সরকার ১২ দিন মালেয়শিয়া ও থাইল্যান্ড সফর। 
দ্বিতীয় পর্ব।
তারিখ ১৬/০৮/১৯ ইং।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক চেতনায় কুষ্টিয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল, সহ-সভাপতি ও দৈনিক প্রবাহ প্রতিনিধি আনোয়ার পারভেজ শান্ত ও সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি প্রদীপ সরকার ভোর ৬টার সময় থাইল্যান্ড এয়ারলাইন্স এর মাধ্যামে থাইল্যান্ড বিমান বন্দরে পৌঁছায়। ৩ ঘন্টা ট্রানজিট থাকায় থাইল্যান্ড বিমান বন্দরের ভিতরে আমাদের থাকতে হয়। সকাল ৯টার সময়  থাইল্যান্ড এয়ারলাইন্স এর মাধ্যামে মালেয়শিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়। দুপুর ১২টার সময় মালেয়শিয়া বিমান বন্দরে পৌঁছায়। বিমান বন্দর থেকে জাহান দুলাভাই হিসাবে পরিচিত সে আমাদের ৩ জনকে তার কার গাড়ীতে করে আমাদের একটি বাঙ্গালী হোটেলে নিয়ে যায় । সেখানে দুপুরের খাওয়া শেষ করে আমার নানা রবিনের ৩৬ তলা বিন্ডিং এ যায়। লিফটের ৩৬ তলা উঠতে সময় লাগলো মাত্র ৩০ সেকেন্ড। 

আমরা সবাই অবাক হলাম এত কম সময়ে ৩৬ তলায় উঠা সম্ভব। নানার ৩৬ তলায় ২টি রুম আমাদের জন্য বরাদ্দ করে। আমরা ৩ জন রুমে গিয়ে বিশ্রাম নেওয়ার পর সন্ধ্যার পর বের হলাম। আমাদের দুলা হিসাবে পরিচিত জাহান সে আমাদের প্রথম মালেয়শিয়ার জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে নিয়ে যায়। সংসদ ভবন দেখে আমরা সবাই মুগ্ধ হয়। আরো মুগ্ধ হয় সংসদ ভবনের পাশে থাকা মসজিদ টি দেখে। সংসদ ভবনের সামনে বিনোদনের জন্য মনমুগ্ধ জায়গা রয়েছে। 

বিকাল থেকে গভীর রাত পর্ষন্ত মালেশিয়ার বিভিন্ন এলাকা ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে বৃদ্ধসহ পর্যটকরা এখানে এসে ভীড় জমায়। সংসদ ভবনের একপাশে রয়েছে লেক অপর পাশে রয়েছে কৃত্রিম সমুদ্র সৈকত। প্রতিদিন তাদের নিজস্ব গাড়ী করে ছেলে ও মেয়েরা এখানে এসে শারীরিক কসরত ও ব্যায়াম করে থাকে। নিরাপত্তা খুবই শক্তিশালী থাকায় এখানে সবাই নীড় ভয়ে আসে। কৃত্রিম সমুদ্র সৈকত এর উপর রয়েছে একটি ঝুলন্ত ব্রীজ।  

রাতে এই ব্রীজটি ৭ রং এ আলোক সজ্জা দেখা যায়। চারপাশে বিভিন্ন ধরনের সুন্দর সুন্দর গাছ দেখা রয়েছে। সংসদ ভবনের চারপাশে দেখার মত অনেক সুন্দর জায়গা রয়েছে। সংসদ ভবন দেখা শেষে রাত ১১ টার সময় দুলা ভাই জাহান তার বাসায় নিয়ে যায়। তার রুম মেটরা আমাদের জন্য ডিনারের ব্যবস্থা করে রাখে। দেশী মানুষ পেয়ে আনন্দ উল্লাসের মধ্যে দিয়ে সবাই মিলে ডিনার  করা হয়। ডিনার শেষে রাতে আবার ৩৬ তলা বিল্ডিং এর রুমে ফিরে আসি। চলবে।

Post a Comment

0 Comments