আজ আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

চেতনায় কুষ্টিয়া প্রতিবেদক \ উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। প্রতি বছর আলোচনা সভা, সেমিনার,র্ যালি, আলোকসজ্জাসহ নানা বর্ণিল আয়োজন থাকলেও বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে এবার অনেকটাই ঘরোয়া আর অনলাইন নির্ভর কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিনটি উদ্‌যাপন করবে দলটি। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, করোনার কারণে এবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বড় কোনো কর্মসূচি নেওয়া হয়নি। সীমিত পরিসরে বিভিন্ন কর্মসূচি এবং ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এ সময় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকরা ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি যুক্ত হবেন। ফুল দেওয়ার জন্যও কার্যনির্বাহী সংসদের সব সদস্য ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে যাবেন না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রতিনিধির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। টুঙ্গিপাড়ায়ও বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে একই পদ্ধতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করার কথা রয়েছে। এছাড়া দলীয় নেতাকর্মীরা ঘরোয়া ও অনলাইনের মাধ্যমে আলোচনা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল করবেন বলে জানা গেছে। তবে এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকাসহ সারাদেশে রঙিন ব্যানার, পোস্টার সাঁটিয়েছেন বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, শেখ মুজিবুর রহমান ও শামসুল হকের নেতৃত্বে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে 'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ' নামে দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ১৯৫৫ সালের কাউন্সিলে ধর্মনিরপেক্ষ নীতি গ্রহণের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল হিসেবে 'মুসলিম' শব্দটি বাদ দিয়ে 'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ' নামকরণ করা হয়। গত তিন যুগের বেশি সময় ধরে দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনা। গত বছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেন ও ৯১ নবাবপুর রোডের পুরাতন অফিসে নানা কর্মসূচি নেওয়া হলেও এবার কোনো আয়োজন থাকছে না। ৯১ নবাবপুর রোডের পুরাতন অফিসটি পড়েছে ঢাকার ওয়ারীতে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ওয়ারী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী আশিকুর রহমান লভলু যায়যায়দিনকে বলেন, পুরাতন কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘিরে গত বছর নানা কর্মসূচি থাকলেও এ বছর কেন্দ্র থেকে কিছু জানানো হয়নি। করোনা পরিস্থিতির কারণে বড় কোনো কর্মসূচি পালন না করার জন্য দলের পক্ষ থেকে নির্দেশনা রয়েছে বলে জানান তিনি। ৯১ নবাবপুর রোডে অবস্থিত আওয়ামী লীগের পুরাতন কার্যালয় থেকে ১৯৬৪ সালের ২৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগকে পুনরুজ্জীবিত করা হয়। এখানেই বসতেন দলের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এরপর অস্থায়ীভাবে সদরঘাটের রূপমহল সিনেমা হলের গলিতে বসে কিছুদিন অফিস করেছেন নেতারা। পরে পুরানা পল্টনে দুটি স্থানে দীর্ঘদিন দলের অফিস ছিল। ১৯৮১ সালের দিকে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নতুন ঠিকানা হয়। তবে কেন্দ্রীয় কার্যালয়, দলীয় সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়, ৯১ নবাবপুর রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণসহ দেশের মহানগর ও জেলা শহরে কার্যালয়গুলোতে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কর্মসূচি শুরু হবে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম যায়যায়দিনকে বলেন, এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ভিন্ন প্রেক্ষাপটে হওয়ায় অনলাইনের মাধ্যমে আগামী প্রজন্মের কাছে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরা হবে। বড় কোনো লোকসমাগম হয় এমন কোনো কর্মসূচি পালন করা হবে না বলে জানান তিনি।
উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। প্রতি বছর আলোচনা সভা, সেমিনার,র্ যালি, আলোকসজ্জাসহ নানা বর্ণিল আয়োজন থাকলেও বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে এবার অনেকটাই ঘরোয়া আর অনলাইন নির্ভর কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিনটি উদ্‌যাপন করবে দলটি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, করোনার কারণে এবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বড় কোনো কর্মসূচি নেওয়া হয়নি। সীমিত পরিসরে বিভিন্ন কর্মসূচি এবং ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এ সময় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকরা ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি যুক্ত হবেন। ফুল দেওয়ার জন্যও কার্যনির্বাহী সংসদের সব সদস্য ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে যাবেন না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রতিনিধির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা
হবে। টুঙ্গিপাড়ায়ও বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে একই পদ্ধতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করার কথা রয়েছে।
এছাড়া দলীয় নেতাকর্মীরা ঘরোয়া ও অনলাইনের মাধ্যমে আলোচনা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল করবেন বলে জানা গেছে। তবে এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকাসহ সারাদেশে রঙিন ব্যানার, পোস্টার সাঁটিয়েছেন বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, শেখ মুজিবুর রহমান ও শামসুল হকের নেতৃত্বে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে 'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ' নামে দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ১৯৫৫ সালের কাউন্সিলে ধর্মনিরপেক্ষ নীতি গ্রহণের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল হিসেবে 'মুসলিম' শব্দটি বাদ দিয়ে 'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ' নামকরণ করা হয়। গত তিন যুগের বেশি সময় ধরে দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনা।
গত বছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেন ও ৯১ নবাবপুর রোডের পুরাতন অফিসে নানা কর্মসূচি নেওয়া হলেও এবার কোনো আয়োজন থাকছে না। ৯১ নবাবপুর রোডের পুরাতন অফিসটি পড়েছে ঢাকার ওয়ারীতে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ওয়ারী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী আশিকুর রহমান লভলু যায়যায়দিনকে বলেন, পুরাতন কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘিরে গত বছর নানা কর্মসূচি থাকলেও এ বছর কেন্দ্র থেকে কিছু জানানো হয়নি। করোনা পরিস্থিতির কারণে বড় কোনো কর্মসূচি পালন না করার জন্য দলের পক্ষ থেকে নির্দেশনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
৯১ নবাবপুর রোডে অবস্থিত আওয়ামী লীগের পুরাতন কার্যালয় থেকে ১৯৬৪ সালের ২৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগকে পুনরুজ্জীবিত করা হয়। এখানেই বসতেন দলের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এরপর অস্থায়ীভাবে সদরঘাটের রূপমহল সিনেমা হলের গলিতে বসে কিছুদিন অফিস করেছেন নেতারা। পরে পুরানা পল্টনে দুটি স্থানে দীর্ঘদিন দলের অফিস ছিল। ১৯৮১ সালের দিকে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নতুন ঠিকানা হয়।
তবে কেন্দ্রীয় কার্যালয়, দলীয় সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়, ৯১ নবাবপুর রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণসহ দেশের মহানগর ও জেলা শহরে কার্যালয়গুলোতে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কর্মসূচি শুরু হবে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম যায়যায়দিনকে বলেন, এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ভিন্ন প্রেক্ষাপটে হওয়ায় অনলাইনের মাধ্যমে আগামী প্রজন্মের কাছে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরা হবে। বড় কোনো লোকসমাগম হয় এমন কোনো কর্মসূচি পালন করা হবে না বলে জানান তিনি।

Post a Comment

0 Comments