কুষ্টিয়ার গড়াই নদীতে ভাসছে ব্যাংক কর্মকর্তার মরদেহ

চেতনায় কুষ্টিয়া প্রতিবেদক \কুষ্টিয়ার গড়াই নদীতে বন্ধুদের সাথে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ব্যাংক কর্মকর্তা রাফসান (৩১) এর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা।
নিখোঁজের ১৮ ঘণ্টা পর শুক্রবার ঘোড়ারঘাট ড্রেজিং পয়েন্টে তার মৃতদেহ ভেসে ওঠে। রাফসান শহরের থানাপাড়া এলাকার মৃত রেজাউল হকের ছেলে। তিনি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ঈশ্বরদী শাখায় ক্যাশিয়ার ছিলেন। এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় শহরের ঘোড়ার ঘাট সংলগ্ন গড়াই নদীতে পাঁচ বন্ধু গোসল করতে নামলে নিখোঁজ হয় রাফসান।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, রাফসান তার কুষ্টিয়ার পাঁচ বন্ধু রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক হাসিবুর রশিদ তামিম, ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ, কুষ্টিয়া স্যামসাং শো-রুমের ম্যানেজার ফয়সাল ও আব্দুর রশিদকে নিয়ে দুপুরে শহরের ঘোড়ার ঘাট সংলগ্ন গড়াই নদীতে গোসলের উদ্দেশ্যে যায়। বন্ধুরা একসাথে সবাই নদীতে গোসলের জন্য নামে।
এদের মধ্যে তামিম ও রাফসান একটু গভীরে গেলে হঠাৎ করেই তারা দু’জনেই নদীতে তলিয়ে যায়। এ সময় অন্যান্য বন্ধুদের চিৎকারে স্থানীয় মাঝিরা তামিমকে টেনে তুললেও রাফসানকে খুঁজে পায়নি। পরবর্তীতে খুলনা থেকে ডুবুরি দল কুষ্টিয়ায় এসে রাত ৮টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালায়। শুক্রবার রাফসানের মৃতদেহটি নিখোঁজ হওয়ার স্থান থেকে কিছুটা দূরেই ড্রেজিং পয়েন্টে ভেসে ওঠে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় রাফসানের মৃতদেহটি পানি থেকে ওপরে তোলা হয়।
রাফসানের বন্ধু হাসিবুর রশিদ তামিম জানান, রাফসান আর আমি একসাথেই ছিলাম। বাকিরা একটু কম পানিতে ছিল। হঠাৎ করে আমাদের পায়ের তলের বালি সরে যায়। সাঁতার না জানায় আমি ও রাফসান তলিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করতে পারলেও রাফসানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটিতে রাফসান তার কর্মস্থল ঈশ্বরদী থেকে কুষ্টিয়া এসেছিলেন। চলতি মাসের ২ তারিখে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা বলেন, নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ ভেসে উঠেছিল। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হয়।

Post a Comment

0 Comments