১৫ মাসের ক্ষুধার্ত ছিন্নমূল শিশুর পাশে সাংবাদিকরা


চেতনায় কুষ্টিয়া প্রতিবেদক \\ ১৫ মাসের ক্ষুধার্ত ছিন্নমূল শিশুর পাশে সাংবাদিক বৃন্দরা। শিশুটি এসে ইফতারের প্যাকেট নেওয়ার দৃশ্য ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা শহরের বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় ভেড়ামারা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক চেতনায় কুষ্টিয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েলসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দরা শনিবার সন্ধ্যায় শতাধিক আসহায় ও গরীর দুস্থ্যদের মধ্যে ইফতার বিতরণ কালে এক ক্ষুধার্ত ছিন্নমূল শিশু (১৫ মাস) আমাদের সামনে হাজির হন। এত ছোট বাচ্চা ঠিকমত কথা বলতে পারে না। সে আমাদের সামনের হাজির হয়ে হাত তুলে। সাংবাদিকরা আদর করে তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে। হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি প্যাকেট। দোকান বন্ধ থাকায় ছোট বাচ্চাকে চকলেট খাওয়ার জন্য সামন্য কিছু টাকা তুলে দেয়। বিষয়টি আমাদের ব্যাপকভাবে নাড়া দিয়েছে।
করোনার মধ্যে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি নিজের সামর্থের মধ্যে থেকে যতটুকু পারছেন রমজানে সহায়তা করছেন ভেড়ামারা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক চেতনায় কুষ্টিয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল, সহ-সভাপতি ওমর ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ কামরুল ইসলাম মনা, যুগ্ম-সম্পাদক মনোয়ার হোসেন মারুফ, সদস্য জাহাঙ্গীর আলম খাঁন সহ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা । ভেড়ামারা শাপলা চত্বর ও এর আশে পাশের এলাকায় নিজ হাতে ইফতার খাবার উপহার তুলে দেন। ইফতার সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি রান্না খাবার তুলে দিচ্ছেন ছিন্নমূল অসহায় মানুষের মধ্যে। রোজার শুরু থেকেই এমন সহায়তা কার্যক্রম শুরু করলেও দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন অনন্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুটির এমন দৃশ্য এখন টপ অপ ভেড়ামারা।
এস এম গোলাম ফিরোজ যোগাযোগ মাধ্যমে মন্তব্য করেন, অভিনন্দন মানবতার ফেরিওয়ালা সকল সাংবাদিক বৃন্দকে । হাফিজুল হক মন্তব্য করেন,জয় হোক মানবতার ইনারায় সমাজ পরিবর্তন এর প্রথম ধাপ।
আজিজুল হাকিম মন্তব্য করেন, মানবিকতার জয় হোক। এই মহতী কাজগুলো ১০০% দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
ফরহাদ আলম মন্তব্য করেন, ভেড়ামারা প্রেস ক্লাবের সকল সাংবাদিক ভাইদেরকে আন্তরিক অভিনন্দন। মানবতার জয় হোক।
ভারতের কোলকাতা থেকে পাপড়ি প্রধান যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেন, দারুন দাদাভাই।এভাবেই তোমরা সবার পাশে থাকবে।
ভেড়ামারা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক চেতনায় কুষ্টিয়া পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক প্রভাসক জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল বলেন, কেউ কেউ মানবতার ফেরিওয়ালা বলে আখ্যা দিয়েছেন।একজন মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে সেই মানবিক মূল্যবোধ থেকেই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিমাত্র। শতাধিক ইফতার বিতরণ কালে এক ক্ষুধার্ত ছিন্নমূল শিশু (১৫ মাস) আমাদের সামনে হাজির হন। এত ছোট বাচ্চা ঠিকমত কথা বলতে পারে না। সে আমাদের সামনের হাজির হয়ে হাত তুলে। সাংবাদিকরা আদর করে বুকে জড়িয়ে ধরে। হাতে তুলে দিন একটি প্যাকেট। দোকান বন্ধ থাকায় ছোট বাচ্চাকে চকলেট খাওয়ার জন্য সামন্য কিছু টাকা তুলে দেওয়া হয়। বিষয়টি আমাদের ব্যাপকভাবে নাড়া দিয়েছে।

Post a Comment

0 Comments