ভেড়ামারা নাসিং হোমে প্রসূতি’র মৃত্যু ॥ নাসিং হোম ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

শুক্রবার বেলা ১১টার সময় কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা শহরের রথ পাাড়া এলাকায় অবস্থিত নাসিং হোমে প্রসূতি’র মৃত্যু ঘটনায় উত্তেজিত জনতা ও দুবৃর্ত্তরা নাসিং হোম ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করার সংবাদ পাওয়া গেছে। এ সময় সাংবাদিকরা ছবি তুলতে গেলে তাদের ক্যামেরা ভাঙচুর করেছে দুবৃর্ত্তরা। এ ঘটনায় নাসিং হোমে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েত রয়েছে। নাসিং হোম এর ডাঃ আবু সাঈদ পলাতক রয়েছে। মৃত প্রসূতি রনি ভেড়ামারা শহরের ফারাকপুর এলাকার নাহিদ পারভেজ স্বর্ন স্ত্রী।

ভেড়ামার মডেল থানা পুলিশ, এলাকাবাসী ও নাসিং হোম সুত্রে জানা গেছে, ভেড়ামারা শহরের রথ পাড়া এলাকায় অবস্থিত নাসিং হোমে রনি (২৫) নামে এক প্রসূতির প্রসব বেদনা উঠলে তাকে ভর্তি করা হয়। নাসিং হোমের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ আবু সাঈদ তাকে অপারেশন কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে সিজার অপারেশনের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করার পর পরই প্রসূতির অবস্থা আশংকা জনক হলে তাকে কুষ্টিয়ার সনোয় পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার সময় প্রসূতি রনি মৃত্যু হয়। প্রসূতি রনি মৃত্যুর আগ পর্ষন্ত তাকে প্রায় ২৫ ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়েছিল। তার পরও রনিকে বাচানো গেল না। পরিবারের লোকজন মৃত প্রসূতিসহ সদ্যজাত সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ফিরে যায়। শুক্রবার বেলা ১১টার সময় প্রসূতি রনি’র পরিবারের ৩০-৪০ জন, দুবৃর্ত্তরা ও উত্তেজিত জনতা  ভেড়ামারা নাসিং হোম ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এসময় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনা স্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন ও আগুন নিভাতে সক্ষম হয়েছে। ছবি তুলতে গিয়ে স্থানীয় পত্রিকার সাংবাদিক মনোয়ার হোসেন মারুফের ক্যামেররা ভাঙচুর করেছে দুবৃর্ত্তরা। এ ঘটনায় নাসিং হোমে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েত রয়েছে। ভেড়ামারা নাসিং হোম এর ডাঃ আবু সাঈদ পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন মুহুতে আবার হামলা হওয়ার আংকা রয়েছে।
ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ পারভেজ ইসলাম সত্যতা স্বীকার করে বলেন, প্রসূতি’র মৃত্যু ভেড়ামারা নাসিং হোমে হামলা ও সাংবাদিকদের ক্যামেরা ভাঙচুর করেছে দুবৃর্ত্তরা। এ ঘটনায় নাসিং হোমে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েত রয়েছে।

Post a Comment

0 Comments