কুষ্টিয়ার শহরের স্কুলছাত্রীকে ‘ধর্ষণ আতঃপর হত্যা’

কুষ্টিয়া শহরে কিন্ডারগার্টেনের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার সন্ধ্যায় রাজারহাট মোড়ের দত্তপাড়ায় পাশের বাড়ির পরিত্যক্ত কুপের পাশে অর্পা রানি পালের (৯) মুখ ও হাত-পা বাঁধা লাশ পাওয়া যায়।
সে স্থানীয় শহীদ দিদার কিন্ডারগার্টেনের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী এবং ও দত্তপাড়ার বাসিন্দা স্বপন পালের মেয়ে। পরিবারের সদস্যরা জানান, শুক্রবার বিকালে অর্পা নিখোঁজ হয়। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। শনিবার সন্ধ্যায় পাশের বাড়ির এক ভাড়াটিয়া পরিত্যক্ত কূপের পাশে মুখ ও হাত-পা বাঁধা লাশ দেখতে পান। পরে অন্যরাও দেখতে পেয়ে তা পুলিশকে জানায়।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি আব্দুল খালেক জানান, মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসহাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওসি আরো জানান, অপহরণ ও হত্যায় জড়িত সন্দেহে পাশের বাড়ির ভাড়াটিয়া তপনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তপন এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। অর্পার মা মা দেবী রানী পাল অভিযোগ করেন, অর্পাকে অপহরণ করে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেছে পাষণ্ডরা।
লাশের সুরতহাল প্রস্তুতকারী পুলিশ কর্মকর্তা কুষ্টিয়া মডল থানার এসআই মনির জানান, লাশের অবস্থা দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোন দুর্বৃত্ত অর্পাকে ধর্ষনের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা শেষে লাশ ফেলে রেখে যায়।
শহরের একটি কাপড়ের দোকানের কর্মচারী স্বপন বেশ কয়েক বছর ধরে একমাত্র সন্তান অর্পা রানি পাল ও স্ত্রী দেবী রানি পালকে নিয়ে দত্তপাড়ার ওই বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছেন।

Post a Comment

0 Comments