কুষ্টিয়ায় ৩টি সংসদীয় আসনের আওয়ামীলীগের হানিফ-রউফ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল জয়লাভ


 
কুষ্টিয়ায় বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ন পরিবেশে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। কুষ্টিয়ার ৪টি সংসদীয় আসনের মধ্যে কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বীতায় জাসদ সভাপতি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু নির্বাচিত হওয়ায়  ৩টি আসনের নির্বাচন রবিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যাপী ভোট গ্রহণ শেষে রাতে ঘোষিত ফলাফলে ২টি আসনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী এবং একটিতে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছে। কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে আওয়ামীলীগের বর্তমান এমপি আফাজ উদ্দিন আহমেদকে হারিয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল হক চৌধুরী, কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনে বিএনএফ প্রার্থী রকিবউর রহমান খান চৌধুরী লিটনকে লক্ষাধীক ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে আওয়ামীলীগ যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এবং কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য স্বতন্ত্র প্রার্থী সদর উদ্দিন খানকে হারিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আবদুর রউফ।

রবিবার সকালে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিতি বাড়তে থাকে। পুরুষদের থেকে মহিলা ভোটারদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি ছিল। কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনে ৫টি কেন্দ্রে ও কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনে বেশ কয়েকটি ভোট কেন্দ্রে কারচুপি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া দৌলতপুরে দু’টি কেন্দ্রে ব্যালেট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।
কুষ্টিয়া-১(দৌলতপুর) আসনের দু’টি ভোট কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারকে মারধর ও ভীতি প্রদর্শন করে ব্যালট পেপার ছিনতাই করে নেয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।  দুপুর ২টার দৌলতপুরের পূর্ব তারাগুনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে বর্তমান এমপি আফাজ উদ্দিনের পুত্র আরিফ উদ্দিন ও তার অনুগতরা প্রিজাইডিং অফিসারকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ২৫শ’ ব্যালট পেপার ছিনতাই করে। তারাগুনিয়া ভোট কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা প্রিজাইডিং অফিসার আশরাফুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। অবশ্য ১ ঘন্টা পর সেগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
অন্যদিকে কুষ্টিয়া-৪(কুমারখালী-খোকসা) আসনের কয়া রায়ডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে দু’গ্রুপের মধ্যে এক দফা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনে পৌরসভার মিশন স্কুল কেন্দ্র, বাড়াদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব মজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জুগিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ আরও কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাহবুব উল আলম হানিফ জানান, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিয়েছে জনগন। কোন অনিয়মের অভিযোগ আমার কাছে আসেনি।
কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ জানিয়েছেন কিছু অনাকাঙ্খিত ঘটনার ঘটলেও সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
জেলা রিটার্ণিং কর্মকতা সৈয়দ বেলাল হোসেন জানান, ছোট কয়েকটি সমস্যা ছাড়া জেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিয়েছে জনগন। কোন অনিয়ম হয়নি।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছিনতাই করে প্রকাশ্য সিল, দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও পুলিশের ফাঁকা গুলি বর্ষণ এবং কম ভোটার উপস্থিতির মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। রোববার কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনে ভোট গ্রহণকালে পূর্ব তারাগুনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বেলা পৌনে ২টার সময় আওয়ামলীগ সমর্থিত প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য আফাজ উদ্দিন আহমেদের কর্মীরা অস্ত্রের মুখে প্রিজাইডিং অফিসার আশরাফুল ইসলাম নান্নুকেকে জিম্মি করে ২৫টি ব্যালট বই লুট করে। এসময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে নৌকা ও আনারস প্রার্থীর পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটলে প্রায় দেড় ঘন্টা ভোট গ্রহণ বন্ধ থাকে। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। একই সময় আল¬ারদর্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ালীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজন ব্যালট পেপার ছিনতাই করে ৬টি ব্যালট বই লুট করলে প্রিজাইডিং অফিসার কুদরতই খোদা ভোট গ্রহণ বন্ধ রাখে। এখবর কেন্দ্রের বাইরে ছড়িয়ে পড়লে উভয় প্রার্থীর কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ ২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার সময় প্রশাসনের উপস্থিতিতে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কল্যানপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৌকা ও আনারস প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটলে পুলিশ এক রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে। এছাড়াও উপজেলার শশীধরপুর বিডিএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আদাবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, তারাগুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রিফায়েতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কল্যাণপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রিফায়েতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যায়লয় কেন্দ্রসহ বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে ব্যালট পেপার কেড়ে নিয়ে প্রকাশ্য সিল মারার ঘটনা ঘটেছে। এসময় উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দৌলতপুর নির্বাচনের সার্বিক বিষযয়ে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রির্টানিং অফিসার মোকতার হোসেন জানান, বিছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া দৌলতপুরের ১২৬টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্নভাবে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। এদিকে বেসরকারীভাবে ভোটের ফলাফল অনুযায়ী রেজাউল হক চৌধুরী আনারস প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৬৪ হাজার ৪৪৪ ভোট এবং আওয়ামীলীগ প্রার্থী আফাজ উদ্দিন আহমেদ নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৫২ হাজার ২২৭ ভোট। ১২ হাজার ২১৭ ভোটের ব্যবধানে দৌলতপুরের প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা ও বর্তমান সংসদ সদস্য আফাজ উদ্দিন আহমেদকে পরাজিত করেছেন।
কুষ্টিয়া সদরের সকল কেন্দ্রে শামিত্মপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়নি। তবে ভোট শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলেও ভোটারদের উপস্থিতি খুবই কম। কুষ্টিয়া সদর আসনের বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত খোঁজ নিয়ে জানা গেছে অধিকাংশ ভোট কেন্দ্রে ১% ভোটও পড়েনি। কুষ্টিয়া সরকারী কলেজ কেন্দ্রে ১০টি বুথে (১০টা পর্যন্ত)ভোট পোল হয় মাত্র ৮টি। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে পারে বলে দাবী করেছেন ভোট কেন্দ্রের আওয়ামী লীগ দলীয় এক এজেন্ট।
কুষ্টিয়া সদর আসনের সব কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীর এজেন্ট থাকলেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনএফ’র রকিব-উর রহমান চৌধুরীর অধিকাংশ কেন্দ্রে এজেন্ট নেই। তবে এমন চিত্র শহরের কেন্দ্র গুলিতে পরিলক্ষিত হলেও গ্রামের কেন্দ্রগুলোতে ভোটাদের উপস্থিত বেশি। কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোমিনুর রহমান মোমিজ জানিয়েছেন ভোট শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
কুমারখালি ও খোকসা উপজেলা নিয়ে গঠিত কুষ্টিয়া-৪ আসন। কুমারখালি উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে। এখানকার প্রতিটি স্থানে লড়াই হয়েছে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবদুর রউফ (নৌকা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব সদর উদ্দিন খানের (কলস) মধ্যে। কুমারখালি উপজেলায় আবদুর রউফ (নৌকা প্রতীক) ভোট পেয়েছে ৫১ হাজার ২শ’ ৮৭ আর আলহাজ্ব সদর উদ্দিন খান (কলস প্রতীক) ভোট পেয়েছেন ২৭ হাজার ৫শ’ ৯১। কুমারখালির ৯৬টি কেন্দ্রে সকাল থেকে ভোট শুরু হলেও ভোটারের উপস্থিতি ছিলো কম। কুমারখালি পৌরসভায় ২হাজার ৪শ’ ৮৮ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীক প্রথম ও ২হাজার ৫ ভোট পেয়ে কলস প্রতীক দ্বিতীয় হয়েছে। কুমারখালির কয়া ইউনিয়নে ৮হাজার ৩শ’ ২৯ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীক  প্রতীক প্রথম ও ২ হাজার ৬শ’ ২৫ ভোট পেয়ে কলস প্রতীক দ্বিতীয় হয়েছে। কুমারখালির পান্টি ইউনিয়নে ৬হাজার ৯শ’ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীক  প্রতীক প্রথম ও ৪শ’ ৭৪ ভোট পেয়ে কলস প্রতীক দ্বিতীয় হয়েছে। কুমারখালির যদুবয়রা ইউনিয়নে ৪ হাজার ৭শ’ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীক প্রথম ও ১ হাজার ৯শ’ ভোট পেয়ে কলস প্রতীক দ্বিতীয় হয়েছে। কুমারখালির চাঁদপুর ইউনিয়নে ৬ হাজার ৯শ’ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীক  প্রতীক প্রথম ও ১ হাজার ১শ’ ভোট পেয়ে কলস প্রতীক দ্বিতীয় হয়েছে। কুমারখালির বাগুলাট ইউনিয়নে ৬ হাজার ৯শ’ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীক প্রথম ও ১ হাজার ভোট পেয়ে কলস প্রতীক দ্বিতীয় হয়েছে। কুমারখালির চাঁপড়া ইউনিয়নে ৫হাজার ৫শ’ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীক  প্রথম ও ১ হাজার ৬শ’ ২২ ভোট পেয়ে কলস প্রতীক দ্বিতীয় হয়েছে। কুমারখালির নন্দলালপুর ইউনিয়নে ৩ হাজার ৩শ’ ২৪ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীক  প্রতীক প্রথম ও ৩ হাজার ২শ’ ৪৬ ভোট পেয়ে কলস প্রতীক দ্বিতীয় হয়েছে। কুমারখালির জগন্নাথপুর ইউনিয়নে ৫হাজার ৩শ’ ভোট পেয়ে কলস প্রতীক প্রথম ও ১ হাজার ১১ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীক দ্বিতীয় হয়েছে। কুমারখালির শিলাইদহ ইউনিয়নে ৪ হাজার ১শ’ ২৯ ভোট পেয়ে কলস প্রতীক  প্রতীক প্রথম ও ২ হাজার ৬শ’ ৩২ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীক দ্বিতীয় হয়েছে। কুমারখালির সদকী ইউনিয়নে ২ হাজার ৬শ’ ৩১ ভোট পেয়ে কলস প্রতীক  প্রতীক প্রথম ও ২ হাজার ২শ’ ৫৬ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীক দ্বিতীয় হয়েছে। কুমারখালির চরসাদীপুর ইউনিয়নে ১হাজার ৫শ’ ৫৯ ভোট পেয়ে কলস প্রতীক  প্রথম ও ১ হাজার ২শ’ ৪৭ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীক দ্বিতীয় হয়েছে। রাতে নির্বাচনী ফলাফল ঘোষনার পর শহরে নৌকা প্রতীকের পক্ষে সংক্ষিপ্ত বিজয় মিছিল বের হয়।
কুষ্টিয়া-৪ আসন ২টি উপজেলা নিয়ে গঠিত। এর একটি হচ্ছে খোকসা উপজেলা। এই উপজেলায় ৪৪টি ভোট কেন্দ্রে সকাল থেকেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ভোট গ্রহণ চলাকালে আওয়ামীলীগ প্রার্থী আবদুর রউফ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সদর উদ্দিন খান একে অপরের বিরুদ্ধে ভোট কারচুপির অভিযোগ করেছে কয়েক দফা। এছাড়া কোন কোন কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ারও অভিযোগ পাওয়া যায়। ব্যাপক সংখ্যক নিরাপত্তা কর্মী কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালন করায় কোন সহিংস ঘটনা ছাড়াই ভোট গ্রহণ শেষ হয়। এ উপজেলায় আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আবদুর রউফ পেয়েছেন ৮,৮০৬ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী (কলস প্রতিক) সদর খান পেয়েছেন ২৭,৩৩১ ভোট। দুই উপজেলার সমন্বয়ে এ আসনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী আব্দুর রউফ ৬০১৯৩ ভোট পেয়ে জয়ী হন। নিকটতম আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সদর উদ্দিন খান ৫৪৯২২  ভোট পান।
কুষ্টিয়ার ৩টি আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৯ লাখ ৫১ হাজার ৫শ’ ৮ জন। এর মধ্যে পরুষ ভোটার ৪ লাখ ৭৩ হাজার ১শ’ ২২ জন আর নারী ভোটারের সংখ্যা ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৩শ’ ৮৬ জন।

Post a Comment

0 Comments